ইয়ামিন হোসেন পাটোয়ারী (কালিয়াকৈরে)
কঠোর লকডাউন শেষে শিথিল হলো লকডাউন। সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন সিথিলের প্রথম দিন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দেখা গেলো যাত্রীবাহী বাস। আগের চেয়ে বেড়েছে মানুষের আনাগোনা।
আজ ১১ আগষ্ট রোজ বুধবার থেকে লকডাউনের সিথিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। লকডাউনের প্রথম দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল চোখে পড়ার মতো। মহাসড়কে ছিল যাত্রীবাহী বাস। মানুষের আনাগোনা ছিল আগে তুলনায় বেশি । মহাসড়কে বেড়েছে আগের তুলনায় গাড়ী।লকডউন সিথিল হবার কারনে কালিয়াকৈরে আবারও চলছে সব ধরনের গণপরিবহণ, দোকান,রেস্তরা ও মার্কেট।
যদিও লকডাউন সিথিল করলে সাস্থ্যবিধি রোজদার করার কথা বলেছে মন্ত্রীপরিষদ। কিন্তু সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাস্থ্যবিধি কোন বালাই নেই সাধারন মানুষের ভিতরে। এছাড়া মহল্লার অলিগলির চায়ের দোকানগুলোয়ও জমজমাট আড্ডা। এসব স্থানে কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই ছিল না মানুষের মাঝে। কাঁচাবাজার, মাছের বাজারে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না ব্যবসায়ীরা। মাক্স ছাড়া চলাফেরা করছে অনেকে। কারও কারও মাক্স থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার দেখা যায়নি। অনেকের নাকের নিচে, আবার কানে ঝুলানো, হাতে ও প্যাকেটে দেখা গেছে মাক্স। বিভিন্ন স্থানে যেমন সফিপুর, মৌচাক,চন্দ্রায় সাধারণ মানুষের মাঝে নেই কোন সাস্থ্যবিধি।
উল্লেখ্য দেশে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে ঈদের আগেই কঠোর লকডাউন ঘোষনা করে ছিল সরকার। কিন্তু ঈদকে সামনে রেখে মাত্র কয়েকটি দিনের জন্য লকডাউন সিথিল করলেও গত ২৩ জুলাই থেকে ০৫ আগষ্ট পর্যন্ত আবারও কঠোর লকডাউনের ঘোষনা করে মন্ত্রী পরিষদ। এই সময় শিল্প-কারখানা সহ বন্ধ রাখা হয় প্রায় সব কিছু। কিন্তু হঠাৎ ১ আগষ্ট শিল্প-কারখানা খোলে দেওয়া হয়। কিন্তু প্রায় অন্য সব কিছু সময়সীমা বাড়িয়ে ১০ আগষ্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে ছিল সারাদেশ। ১১ আগষ্ট থেকে লকডউন সিথিল করে মন্ত্রীপরিষদ। লকডউন সিথিল করলেও সাস্থ্যবিধি মানার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কালিয়াকৈরে অনেক স্থানে সাস্থ্যবিধির কোন বালাই নেই।
Leave a Reply