ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী
রাজশাহী চারঘাট পৌরসভায় নিযম নীতির তোযাক্কা না করে ঝুঁকিপূর্ণ একটি তৃতীয় তলা বাসভবনের মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পৌরসভার কোন অনুমতি ছাড়ায় ইটের তৈরী ০১ তলা থেকে ০৩ তলা ভবন নির্মাণ চলমান রেখেছে অভিযুক্ত কায়েম উদ্দিন।
পৌরসভার ৩ নং ওর্য়াডের বসবাসরত সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম পত্রিকার প্রতিবেদককে বলেন, তার প্রতিবেশি কায়েম উদ্দিনের বাড়িটি গত ৩০ বছর পূর্বে প্রকৌশলীর কোন সহযোগিতা ছাড়ায় ইটের তৈরী ০১ তলা ভবন নির্মাণ করেছেন। এরপর ৯-১০ বছর পরেই ২য় তলা ভবন তৈরী করেন। অথচ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর এবং পৌর কর্তৃপক্ষের কোন অনুমোদন ছাড়ায় পূনরাই ওই ঝুঁকিপূর্ন ভবেন ৩য় তলা কাজ চলমান রেখেছে। এই নি¤œ মানের ভবনের করানে যে কোন সময় হতে পারে মৃত্যুসহ বড় ধরনের দূর্ঘটনা। সম্প্রতী ভবনটির বিভিন্ন স্থানে ফাটোল দেখা গেছে। তবে বাড়ির মালিক শ্রমিকের মাধ্যমে ভবনের ফাটোল গুলো সিমেন্ট দিয়ে লুকানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান তার বাড়ির চারপাশের বসবাসরত পরিবাররা ভবনটি ভেঙ্গে পরার আশঙ্কায় রয়েছেন। মানবাধিকার লঙ্গন করে বাড়ি নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন। যার কারনে চলিত বছরের জুন এবং ১৫ জুলাই মাসে জেলা প্রসাশক, চারঘাট উপজেলা ইউএনও, পৌরসভায় কায়েম উদ্দিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয় হয়েছে। কিন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তবে ভবনের কোন সমস্যা নেই এবং কোন ধরনের ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা নেই। কে বা কারা তার বিরুদ্ধে ব্যাক্তিগত আক্রশে মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি করেছেন ভবনের মালিক কায়েম উদ্দিন। চারঘাট পৌরসভার সহাকরী প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, ওই বাড়ি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং পৌর অনুমতি ছাড়ায় বাড়ি নিমার্ণ করা হয়েছে। সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান, চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক। অপরদিকে উপজেলা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম প্রতিবেদককে বলেন, প্রকৌশলীর একটি প্রযুক্তির দল বাড়ির নির্মাণের বিষয়টি তদন্ত করছে। খুব শিগ্রই ওই ভবনের প্রফাইল প্রস্তুত করা হবে।
এই বিষয়ে ইউএনও সৈয়দা সামিরা বলেন, অভিযোগটির তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে পৌরসভা । কোন ক্রমে তারা ব্যার্থ হলে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অবগত করতে হবে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
Leave a Reply