ফরিদুল ইসলাম রানা
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি
লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ইউপি সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করায় ইউপি সদস্য হাফিজুল ইসলাম আইনের কাছে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।
এ বিষয়য়ে তিনি বলেন, জুয়েল হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে আমি মনে করি। যেদিন জুয়েলকে হত্যা করা হয় সেদিন আমি ইউনিয়ন পরিষদের গেইট এ দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ মতো অবস্থায় লোকজন চিল্লাচিল্লি শুরু করে মসজিদের দিকে দৌড়ালে আমি একজন প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে দেখতে যাই। গিয়ে দেখি আম জনতা অজ্ঞাত দুই জনকে মসজিদের ভিতরে মারপিট করতেছিল। এ রকম অবস্থা দেখে উক্ত ২ জন ব্যক্তিতে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। নিয়ে আসার পরে মানুষ মারফত শুনতে পারি ইউএনও, উপজেলা চেয়ারম্যান, বুড়িমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নিশাদ ল্যাম্পপোস্ট উদ্ভোধন করতেছে ইউনিয়ন পরিষদের ২০০ গজ দূরে। আমি সাথে সাথে তাদের জানাই তারা দ্রুত ১০ মিনিটের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যায় এবং ইউএনও সাথে সাথে পাটগ্রাম থানা ওসিকে কল দিলে তিনি ৬ জন পুলিশ সদস্যকে প্রেরণ করেন এবং কিছুক্ষণ পরেই তিনি নিজেই ৭ জন পুলিশ সদস্য নিয়ে পরিষদে আসেন এবং আমি তাদের ২ জন কে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করি। তবে জুয়েল মৃত্যুর ৫ মাস পরে এজেহার ও চার্জশিটে আমার নাম না থাকার পরেও প্রশাসন আমাকে বাজার থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং প্রশাসনিক কাজে বাঁধা দানে গ্রেফতার দেখায়। আমি প্রশাসন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বিচার দাবী জানাই।
Leave a Reply