সোহানুল হক পারভেজ তানোর (রাজশাহী) :
রাজশাহীর তানোর সাবরেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক ও কথিত মামা উত্তম কুমারের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক কথিত ভাগ্নিকে বিয়ে না করায় সে বিষপানে আত্মহত্যার চেস্টা করে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে লম্পট উত্তমকে আটক ও তাঁর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবিতে গ্রামবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার তানোর পৌরসদরের শীবতলা গ্রামের ভাড়া বাসা থেকে ওই নারীকে উত্তম বিয়ের প্রলোভন দিয়ে রাজশাহী শহরে নিয়ে যায়। কিন্ত্ত উত্তম তাকে বিয়ে না করে কালক্ষেপন করে এক পর্যায়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ভিকটিম বিষপানে আত্মহত্যার চেস্টা করে রামেক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান তার স্বজনরা। এদিকে ঘটনা ধাঁমাচাপা দিয়ে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে জনৈক টিআর সুনিল বড় অঙ্কের অর্থ নিয়ে বিভিন্ন মহলে দৌঁড়ঝাঁপ করছেন বলেও ভিকটিম পরিবার জানান। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ আগস্ট দিবাগত রাতে পৌর সদরের পালপাড়া গ্রামে কথিত ভাগ্নির ঘরে মামা উত্তমকে আপত্তিকর অবস্থায় গ্রামবাসী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। তবে উত্তমের প্রলোভনে ভিকটিম অভিযোগ না করলে ভিকটিমকে তার পরিবারের জিম্মায় দিয়ে উত্তমকে ১৫১ ধারায় আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, উত্তম এর আগেও মোহরগ্রামে আদিবাসী নারীর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছে, লাঠির জোরে প্রতিবেশীর সম্পত্তি জবরদখল করেছে, অফিসের এক নারী কর্মীর সঙ্গে আপত্তিকর ঘটনা ঘটিয়েছে। এবিষয়ে ভিকটিমের মা বলেন, তার স্বামী হারা মেয়ের ঘরে উত্তমকে সারা রাত বন্দি করে রাখা হল গ্রামের লোকজনসহ হাজার হাজার মানুষ ঘটনা জানল দেখল। উত্তম জামিনে এসেই বিয়ে করবে বলে তার সুস্থ মেয়েকে গত শনিবার রাজশাহীতে নিয়ে গেল। কিন্তু রাতে শুনতে পাচ্ছি বিয়েতো হয়নি মেয়ে হাত কেটে বিষপান করে মেডিকেলে ভর্তি আছে। তিনি উত্তমের দৃষ্টান্তমুলুক শাস্তি ও মেয়ের ক্ষতিপুরুণ চান। এবিষয়ে কথিত মামা দলিল লেখক উত্তমের ব্যক্তিগত ০১৭১৮-৯৩৯২০৭ মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি শুধু কেটে দেন ও তাঁর বাসায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি ফলে তাঁর কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
Leave a Reply