সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বেনাপোল দিয়ে ভারত ভ্রমণ ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কমেছে প্রায় ৮ লাখ যাত্রী

বেনাপোল দিয়ে ভারত ভ্রমণ ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কমেছে প্রায় ৮ লাখ যাত্রী

মোঃ নয়ন সরদার
শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গেল ২০২০-২১ অর্থবছরে তার আগের বছরের চেয়ে ভারত ভ্রমণে পাসপোর্টধারী যাত্রীর সংখ্যা কমেছে ৮ লাখ ৩২ হাজার ৬৪৭ জন। এ সময় ভ্রমণখাতে রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে ৪১ কোটি ৬৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা।

এদিকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় চিকিৎসাসেবায় মানুষ কিছুটা উপকৃত হলেও ভারতে যেতে না পেরে মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়েছে বাণিজ্যিক খাতে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, দেড় বছর ধরে চলা করোনার বিরূপ প্রভাবে নানান বিধি-নিষেধে কমেছে যাত্রী যাতায়াত। করোনা প্রভাব কাটলে আবার স্বাভাবিক হবে ভ্রমণ খাত।

সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা যায়, যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হওয়ায় বেনাপোল বন্দর হয়ে প্রতিবছর চিকিৎসা, ব্যবসা, শিক্ষা আর ভ্রমণে প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকেন। যা থেকে বছরে সরকারের প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আসে। কিন্তু গেল বছর করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবেী দেশ ভারত ও বাংলাদেশে। এতে সংক্রমণ রোধে গত বছরের ১৩ মার্চ ভারত সরকার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে বাংলাদেশিদের ভারত যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে গত বছরের ১৫ আগস্ট ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে স্বল্প পরিসরে মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা চালু করে ভারত।

চলতি বছরে ভারতে আবারো করোনা সংক্রমণ মহামারি অবস্থা ধারণ করলে ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এতে আবারও যাত্রীদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শর্তসাপেক্ষে শুধুমাত্র মুমূর্ষু রোগীদের জন্য সীমিত পরিসরে মেডিকেল ভিসা চালু রয়েছে। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় মারাত্মক হারে কমেছে যাত্রী যাতায়াতের সংখ্যা। করোনা সংক্রমণ রোধে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। বর্তমানে সপ্তাহে তিন দিন শনিবার, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার বাংলাদেশিরা ফিরতে পারবেন ভারত থেকে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন যাওয়া যাবে ভারতে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চালু আছে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, করোনার আগে স্বাভাবিক সময়ে এ পথে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতেন। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে বিধি নিষেধে প্রতিদিন যাত্রী যাতায়াতের কমে দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ১০০ জনের মধ্যে। যাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের ছাড়পত্র আছে তারা শর্তসাপেক্ষে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, দেড় বছর ধরে চলা করোনার বিরূপ প্রভাবে নানা বিধি-নিষেধে কমেছে যাত্রী যাতায়াত। বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গেল ২০২০-২১ অর্থবছরে তার আগের বছরের চেয়ে ভারত ভ্রমণে পাসপোর্টধারী যাত্রীর সংখ্যা কমেছে ৮ লাখ ৩২ হাজার ৬৪৭ জন। এ সময় ভ্রমণ খাতে রাজস্ব ঘটতি হয়েছে ৪১ কোটি ৬৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com