সখীপুর টাংগাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৭১-এর কাদেরিয়া বাহিনীর ১৫ নম্বর কমান্ডার, নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খলিলুর রহমানসহ তার পরিবারের চার জনের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে প্রতিবেশীরা। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে উপজেলার সাড়াশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। জমি জমা নিয়ে পূর্বের অমীমাংসিত একটি শালিসের সমাপ্ত করার লক্ষ্যে এক বৈঠকে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় ভুক্তভোগী পরিবার। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খলিলুর রহমান (৭৮) তার বড় ছেলে মো. মনিরুজ্জামান (৫০), ছোট ছেলে শাহীন আহমেদ (৪৬) ও তার স্ত্রী রওশনারা আক্তার আহত হয়। এ ঘটনায় প্রতিবেশী মো. জয়নাল আবেদীন, তার ছেলে জাহিদ হোসেন, শহিদুল ইসলামসহ সাত জনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় মাতাব্বরদের উপস্থিতে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে প্রায় তিন ঘটিকার দিকে বাড়ি পাশে একটি শালিসি বৈঠক বসে। এ সময় কথা কাটির এক পর্যায়ে জয়নাল মাস্টার সহ ৮/১০ জন লোক লাঠি-সোঠা নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর পরিবারের উপর হামলা চালায়। এ সময় . খলিলুর রহমান (৭৮) তার বড় ছেলে মো. মনিরুজ্জামান (৫০), ছোট ছেলে শাহীন আহমেদ (৪৬) ও তার স্ত্রী রওশনারা আক্তার আহত হয়। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.খলিলুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে সখীপুর থানায় মামলা দেয়ার প্রস্তুুতি নিচ্ছে ওই পরিবার।সখীপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডারের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান আজাদ বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখ জনক। আমরা সবাই হাসপাতালে তাকে দেখতে গিয়েছি। এ ঘটনার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাই।অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন বলেন,মারামারির ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা।জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে।ওনি কোন কারনে হাসপালে ভর্তি হলো সেটা আমার জানা নেই।সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ.কে সাইদুল হক ভূঁইয়া বলেন একজন মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Leave a Reply