উৎফল বড়ুয়া, সিলেট
করোনার মহামারীতে বিপর্যস্থ্য জনজীবনে ডেঙ্গু যেন হানা দিতে না পারে সেজন্য সবাইকে সর্তকতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে বলেছেন সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, কোনভাবেই যেন বাসা-বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, এসির জমানো পানি, নারিকেলের খোসা, টায়ার-টিউব কিংবা টিনের কৌটা ইত্যাদি স্থানে পানি জমে না থাকে। কারণ এসব স্থানে ডেঙ্গু মশার জন্ম হয়। ডেঙ্গু সহ সব ধরণের মশার বংশ বিস্তার রোধে নগরবাড়ির সহযোগিতা চেয়েছেন সিসিক মেয়র।
শুক্রবার (৬ আগস্ট) বিকেলে নগর জুড়ে ডেঙ্গু মশা রোধে পরিচালিত অভিযানের উদ্বোধন কালে মেয়র বলেন, সিসিকের এই অভিযানে আপনার বাড়ির আশপাশে মশার ঔষধ ছিটানো ও ফগার মেশিন দ্বারা ঔষধ ছড়ানো হবে। কিন্তু আপনার বাসা-বাড়ির ভেতরে যাতে ডেঙ্গু মশার উৎস না থাকে সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
এরই মধ্যে নগরের দক্ষিণ সুরমায় ডেঙ্গু মশার লার্ভার সন্ধান পাওয়া গেছে জানিয়ে সিসিক মেয়র বলেন, সেসব স্থানে ঔষধ স্প্রে ও ফগার মেশিন দিয়ে ঔষধ ছড়ানো হয়েছে। কেউ যদি ডেঙ্গু মশার উৎসের সন্ধ্যান পান তবে দ্রুত সিসিককে জানালে আমরা উৎসেই ডেঙ্গুর বিস্তার বন্ধে পদক্ষেপ নেব।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, এবারের অভিযানে সিসিক কিছু গাড়িতে বহন করা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ফগিং মেশিন ব্যবহার করছে। যার ফলে কম সময়ে বেশি এলাকায় মশার ঔষধ ছড়ানো যাবে।
এছাড়া হাতে বহন করা ফগার মেশিন দ্বারাও এডালটিসাইড ঔষধ ছড়ানো হচ্ছে, স্প্রে মেশিন দিয়ে লার্ভি সাইড ঔষধও ছিটানো হচ্ছে সম্ভাব্য উৎস স্থানে। তিনি জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ জন করে শ্রমিক টানা ১০ দিন মশক নিধনের এই অভিযান পরিচালনা করবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো, নূর আজিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রুহুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. তানভীর আহমদ তামিম, জনসংযোগ কর্মকর্তা আব্দুল আলিম শাহ, মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী মো. মুহিবুল ইসলাম ইমন প্রমুখ।
Leave a Reply