রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী ইউনিয়নের চর শৌলমারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ আলী বিরুদ্ধে ওই কলেজের পাঁচটি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। পাঁচটি গাছ কেটে সাথে সাথে স্থানীয় এক ব্যাপারীর নিকট ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করেও দেন কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ আলী । যেকোনো প্রতিষ্ঠানের মরা বা শুকনা গাছ কাটতে হলেও প্রশাসন ও বনবিভাগসহ কমিটির অনুমোদন লাগে। অনুমোদনের পরে তা নিলামে বিক্রয় করে অপসারণ করতে হবে। বনবিভাগ কিছু না জানলেও অধ্যক্ষের দাবি তিনি নিয়ম মেনেই গাছ অপসারণ করেছেন। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, কলেজের আবাদী জমিতে রোপন করা ৪টি ইউক্লিটার ও দক্ষিণ দিক থেকে ১টি ঔষধি অর্জুণ বড় গাছ কাটা হয়েছে। এ গাছগুলো অধ্যক্ষের এমন কর্মকান্ডে স্টাফদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। গাছগুলো কাটার বিষয় কোন প্রকার রেজুলেশন করা হয়নি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, অধ্যক্ষ সাহেব কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই গায়ের জোরে গাছগুলো কেটেছেন।অভিযুক্ত বিষয় জানতে চাইলে চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ আলী বলেন, কলেজের গাছগুলো বগার্চাষী কেটে বিক্রি করেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুসারে তারা পরিচর্যা করেছে তাই তারাই কাটছে। এখানে আমি কোন টাকা লেনদেন করিনি। এ প্রসঙ্গে রৌমারী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও কলেজ সভাপতি মোঃ. আল ইমরান জানান, গাছ কাটার বিষয় আমি কিছুই জানি না। তবে এখনই খোজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Leave a Reply