রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
আদমদীঘিতে দইয়ের চেয়ে হাঁড়ির ওজন বেশি দুইয়ের দোকানিরা ক্রেতাদের নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা

আদমদীঘিতে দইয়ের চেয়ে হাঁড়ির ওজন বেশি দুইয়ের দোকানিরা ক্রেতাদের নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা


মোঃ সজীব হাসান, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ

বগুড়ার দই স্বাদে ভালো একথা দেশের ছোট- বড় সবায় জানে। কিন্তু বগুড়ার আদমদীঘি, সান্তাহারসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষ দই
কিনে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন এটা কি সবাই জানেন ?। দইয়ের
দোকানিরা ক্রেতাদের নিকট থেকে দইয়ের সাথে মাটির হ্যাঁড়ি সারার ওজন এক সাথে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। উত্তারাঞ্চলের বিভিন্ন হাটে- বাজারে ছোট,বড় সব দইয়ের দোকানে হাঁড়ি ও সাড়ার দই ওজনে বিক্রি করে
আসছে। দই ওজনের সময় হাঁড়ি সারার ওজন বাদ দেওয়া হয় না। এলাকায়
প্রতিকেজি দই একশো থেকে দুইশো টাকা ১কেজি দরে বিক্রি করা হয়।
ঈদের সময় দাম বেরে যায় দুইগুন। ঈদ, বিয়ে জম্মদিন বিভিন্ন অনুষ্টানে প্রয়োজনে দই কিনে বাসা বাড়িতে নিয়ে অনেক সময় দইয়ের চেয়ে
হাঁড়ির ওজন বেশি দেখা যায়। ফলে এলাকার দইয়ের খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়ীরা এই কৌশুলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। আর এতে প্রতিনিয় প্রতারিত হচ্ছেন দই ক্রেতারা। দইয়ের ব্যবসা লাভজনক এসব দই
ব্যবসায়ীদের কারো বি এস টি আইয়ের অনুমোদন নেই। ফলে এক্ষাত থেকে
সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছন। সেনেটিরী বিভাগের লোকজনের নজরদারি
না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পাউডার গুড়োদুধ, খাওয়ার সোডা, ময়দাসহ
বিভিন্ন প্রকার ভেজাল মিশিয়ে দই বানিয়ে হাটে-বাজারে ও বড় বড় মিষ্টান্ন ভান্ডারে অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে। এসব ভেজাল মিশানো দই খেয়ে
ডাইরীয়া বা স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। অনুসন্ধানে জানাযায়, এলাকার দই
ব্যবসায়ীরা দইয়ের হাঁড়ি-সারার ওজন যাতে বেশি হয় সেভাবে অডার দিয়ে
বানিয়ে নেওয়া হয়। সু-স্বাধু দই ছোট বড় সবাই খেতে ভালো বাসে। এছারা বিয়ে, জম্মদিন নানা অনুষ্টানে এবং বাড়িতে মেয়ে জামাই,
আত্বীয়-স্বজন এলে যতই ভালো খাবার পরিবেশন করা হোক না কেন দই ছারা
সেটা সোভা পায়না। তাই ছুটে যেত হয় দইয়ের দোকানে। যত টাকা দাম হোক দই কিনে বাড়ি ফিরে আত্বীয়-স্বজনদের আপ্রায়ন করা হয়। ফলে একদিকে দোকানিরা দইয়ের ওজনের সাথে মাটির হ্যাঁড়ি সারার ওজন ধরে
বিক্রি করে ক্রেতাদের নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। আর দইয়ের
দামে মাটির হ্যাঁড়ি সারা কিনে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হতে হচ্ছে দই ক্রেতা সবাই। এছারাও দুইশো থেকে নিতশো টাকা কেজির মিষ্টির ওজনের সাথে দেওয়া
হচ্ছে ত্রিশ থেকে চলি-শ টাকা কেজির মোট কাগজের প্যাকেট।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com