ইসমাইল ইমন:
সৌদি আরবে অভিবাসীদের চুক্তির সময় শেষে সকল আর্থিক পাওনা পেয়েছে, ঐ সকল প্রবাসীদের প্রয়োজনেই ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পাসপোর্ট অধিদপ্তর।সৌদিতে কোন প্রবাসী যদি নিজের নামে গাড়ি রেজিঃ থাকলে তার মালিকানা হস্তান্তর করতে হবে। সেক্ষেত্রে সে প্রবাসীদের ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যু হবেনা। একজন প্রবাসিকে ফাইনাল এক্সিট ভিসা পাওয়ার আগে সকল নিজের আর্থিক বকেয়া, দায় ইত্যাদি পরিশোধ করতে হবে, কনসুলেট টিম জেদ্দা পরিদর্শনের এসকল তথ্য ব্রিফ থেকে মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়।জেদ্দার শ্রম কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. আহমদ মুনিরুছ সালেহিনের কাছে চিঠিতে বলা হয়েছে, ফাইনাল এক্সিট ভিসার মেয়াদ থাকে সাধারণ ৬০ দিন। এই সময়ের মধ্যে অথবা ভিসায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রবাসী’কে সৌদি আরব ত্যাগ করতে হয়। ফাইনাল এক্সিট ভিসায় মেয়াদ বৃদ্ধি করা যায় না। তবে নিয়োগকারী’র মাধ্যমে সৌদি ১০০০ রিয়াল পরিশোধ করলে ফাইনাল এক্সিট ভিসা বাতিল করার সুযোগ আছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যুর পর নিয়োগকা’রী প্রবাসীকে ‘হুরুব’ (পলাতক) ঘোষণা করতে পারেন না। তবে ইস্যুকৃত ফাইনাল এক্সিট ভিসা বাতিল করে ‘হুরুব’ ঘোষণা দেয়ার সুযোগ আছে জানিয়ে চিঠিতে আরো বলা হয়, সম্প্রতি প্রবর্তিত শ্রম সম্পর্কিত সংস্কার ব্যবস্থা অনুসারে কোনো কর্মী ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যুর পর নিয়োগ’কারী তা যাচাইয়ের জন্য ১০ দিন সময় পান।নিয়োগকারী’র কাছ থেকে কোনো নেতিবাচক জবাব না পাওয়া গেলে ওই কর্মী নিজেই ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যু করতে পারেন। এরূপ ক্ষেত্রে এজাতীয় ফাইনাল এক্সিট ভিসার মেয়াদ ১৫ দিন হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের বাইরে অবস্থানকা’রী কর্মীর অনুকূলে ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যুর কোনো সুযোগ নাই। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী কর্মী’দের এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রাক বহির্গমন প্রশিক্ষণে আলোকপাত করা যেতে পারে বলে পাঠানো চিঠিতে মন্তব্য করা হয়েছে।l
Leave a Reply