রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
সখীপুরে শতবছরের ভোগদখলীয় রেকর্ডের জমিতে বনবিভাগের হস্তক্ষেপ!

সখীপুরে শতবছরের ভোগদখলীয় রেকর্ডের জমিতে বনবিভাগের হস্তক্ষেপ!


বাদল হোসাইন, সখীপুর:

টাঙ্গাইলের সখীপুরে শতবছরের ব্যক্তিমালিকানা ও ভোগদখলীয় আবাদি জমির কলা বাগানে আকাশমণি চারা লাগিয়েছে স্থানীয় বন কর্মকর্তারা। উপজেলার কালমেঘা মৌজার ১৮.৫৬ একরের প্রায় চার একর জমিতে এই চারা লাগিয়েছ। এ ঘটনায় বন বিভাগের নামে মামলা দিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালমেঘা মৌজার ৯১ নম্বর দাগের ২৯ একর জমি সি.এস রেকর্ড জমিদারদের নামে । সেই জমি থেকে ১৬.৪০ একর জমির পত্তনমূলে আব্দুর রাজ্জাক গং মালিক হয়। দখলকৃত জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও চাষাবাদ করে আসে তারা। পরে তাদের নামে এস.এ রেকর্ড হয়। এবং পরবর্তী সময়ে ওই জমি তাদের নামে নতুন রেকর্ড হলে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খাজনা দিয়ে আসে আব্দুর রাজ্জাক গং। এ ছাড়া এস.এ ৪০৫ নম্বর দাগের ২.১৬ একর প্রায় ৯০ বছরের দখলীয় ওই জমিতে  কলাবাগান করা হয়েছে। সেই বাগানে গত ১৯ জুলাই স্থানীয় কালমেঘা বিট কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে প্রায় চার একর জমিতে আকাশমণির চারা লাগায়। এ ঘটনায় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা টাঙ্গাইল বন বিভাগের নামে আদালতে মামলা দিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক গং। এছাড়া ওই জমির উপর দিয়ে গ্যাস লাইন গিয়েছে। জমির প্রকৃত মালিক হিসেবে আব্দুর রাজ্জাক গংদের ওই গ্যাস  লাইনের জমি অধিগ্রহণের টাকা বুঝিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সখীপুরে প্রায় ৪০ বছর আগে বনায়ন শুরু হয়েছে। আমরা তখন থেকে চাষাবাদ ও বাড়ি ঘর নির্মাণ করে আসছি। কোনদিন কোন ফরেস্ট আসলো না। সম্প্রতি গ্যাস লাইন থেকে কিছু টাকা পেয়েছি আমরা। সেই টাকা তুছরুপ করতে স্থানীয় কয়েকজন দুষ্ট লোকের ইন্দনে অহেতুক সেই জমিতে স্থানীয় বন কর্মকর্তারা আকস্মিক ভাবে বনায়ন করতে আসে বলে জানায় একাধিক ভুক্তভোগী । আব্দুর রাজ্জাক বলেন আমদের শতবছের পৈত্রিক ও দাদার ভোগদখলীয় খাজনা দেয়া জমিতে জোরপূর্বক বনায়ন করছে স্থানীয় বনকর্মকর্তারা। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেছি।উপজেলা ভূমি অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখ জনক। আমার জানা ছিলো না আজই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবো।কালমেঘা বিট কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন বলেন, বনের গেজেট ভুক্ত তিন বা সাড়ে তিন একর জমিতে বনায়নের চারা লাগিয়েছি। ওনারা যদি আইনের প্রক্রিয়ায় জমি পায় তাহলে বন থাকবে না। তবে ৯১ নম্বর দাগে বনবিভাগের ১১.৮৫ একর জমি আছে। হাতেয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আলাল খান বলেন, মামলার বিষয়ে কিছুই জানিনা। সার্ভেয়ার দিয়ে জমি ডিমার্গেশন করে আমাদের জমিতে বনায়ন করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com