এম শাহীন আল আমীন, জামালপুর:
জামালপুর জেলার বুক চিড়ে প্রবাহিত হচ্ছে দেশের বৃহৎ নদ-নদী যমুনা-ব্রহ্মপুত্র। রয়েছে অসংখ্য ছোট নদী ও খালবিল। ভরা বর্ষা মৌসুমে যমুনা-ব্রহ্মপুত্র ও খালবিলে পানি না থাকায় মাছের চরম আকাল চলছে। মাছের আকালে বিপাকে পড়েছে জেলার সাত উপজেলার হাজার হাজার দরিদ্র জেলে পরিবার। যমুনায় মাছের আকালে জেলেদের আয়-রোজগারে ভাঁটা পড়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রতিদিন জেলেরা যমুনায় জাল ফেলালেও ধরা পড়ছে না মাছ। চলমান কঠোর লকডাউন ও বর্ষা মৌসুমে মাছের অভয়রুন্য খ্যাত যমুনা নদীতে মাছ না পাওয়ায় জেলে পরিবার গুলোতে হাহাকার চলছে সরকারের নিকট প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।মৎস্যজীবি রেজাউল বলেন, বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদী থেকে মাছ ধরে ও বিক্রি করেই সংসার চালাই। কিন্তু এ বছর নদীতে মাছের আকাল চলছে । আশায় বুক বেঁধে প্রতিদিন নদীতে জাল ফেললেও মিলছে না মাছ। যে মাছ পাই, তা বিক্রি নৌকার তেল খরচও উঠে না। আমার ঘরে এবার ঈদের আনন্দের ছোঁয়াও লাগেনি। অর্থাভাবে ঈদের কেনাকাটা করতে পারেননি।
যমুনাতীরবর্তী করইতাইড় গ্রামের ফজল মণ্ডল এবং হরব আলীসহ অনেক জেলে বিকল্প পেশার চিন্তা করেও কূলকিনারা করতে পারছেন না। নদ-নদীতে পানি না থাকায় মাছের আকালে হাজার হাজার জেলে পরিবার বিপাকে পড়েছে।জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্র জানায়, এ বছর নদনদী ও খালবিলে পানি না থাকায় মাছের চরম আকাল চলছে। ফলে জেলার সাত উপজেলার ২০ সহস্রাধিক জেলে পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।
Leave a Reply