শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তির নাই কোনো শেষ। এভাবে ফিরল কর্মস্থলে।

বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তির নাই কোনো শেষ। এভাবে ফিরল কর্মস্থলে।


শামিম বিশ্বাস, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধিঃ


রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পাট্টা য়  বাড়ি মো আব্দুল মান্নান মোল্লা  (৩৩)। ঢাকা সাভারের  এক পোশাক কারখানায় কাজ করেন তিনি। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। রোববার থেকে কারখানা খোলার কথা জানতে পারেন শুক্রবার রাতে। দেরি না করে শনিবার সাতসকালে ছুটেছেন ঢাকার উদ্দেশে।
স্ত্রী ও তিন সন্তান ও হাতে বড় ব্যাগ নিয়ে বেলা ১০টার দিকে পাংশা আজিজ সরদার থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া দিয়ে ফেরিঘাটে পৌঁছান মান্নান মোল্লা । ক্ষোভের সুরে বলছিলেন, ‘ভাই, আমি সাধারণ শ্রমিক। বেতন পাই মাত্র ১০-১২ হাজার টাকা। ঈদের সময়ে বাড়ি যেতে খরচ হয়েছিল প্রায় ২ হাজার টাকা। আজ কয়েক দফায় মাহেন্দ্র ও অটোরিকশা বদলে দৌলতদিয়া ঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছি। এতে খরচ হয়ে গেছে ১ হাজার ২০০ টাকা। হাতে আর আছে ২ হাজার টাকার মতো। সাভার পর্যন্ত কীভাবে পৌঁছাব, কত টাকা খরচ হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আবার কাজ শুরু করলে কারখানা থেকে বেতন পাব এক সপ্তাহ পর। এই এক সপ্তাহ কীভাবে সংসার খরচ চালাব, তা ভেবে পাচ্ছি না।’কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই কারখানা খুলে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মান্নান মোল্লা  মতো অনেকেই। গাড়ি না পেয়ে ভোগান্তি তো আছেই। সঙ্গে ভেঙে ভেঙে ছোট যানবাহনে করে গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে নিম্ন আয়ের এই মানুষগুলোর।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঘাটে আসেন হাসান  তাঁর পরিবারের পাঁচ  সদস্য। রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার  এই পরিবারের কয়েকজন সাভারের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। অন্য কোনো উপায় না পেয়ে মোটরসাইকেল ভাড়ায় নেন। ঘাট পর্যন্ত আসতে গুনতে হয়েছে জনপ্রতি ৫০০ টাকা। হাজারো মানুষের ভিড়ে ফেরিঘাটের কোথাও দাঁড়ানোর জায়গাও পাচ্ছিলেন না। করোনাকালে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি তো ছিলই। ওদিকে প্রখর রোদ-গরমে নাভিশ্বাস উঠছিল।দুপুর ১২টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে হাতে গোনা কয়েকটি যানবাহন নিয়ে দৌলতদিয়ার ১ নম্বর ফেরিঘাটের কাছে আসে রো রো ফেরি ভাষাশহীদ বরকত। ফেরি আসতে দেখেই ঘাটের পন্টুন থেকে শুরু করে সংযোগ সড়ক পর্যন্ত জনস্রোত শুরু হয়ে যায়। মানুষের ভিড়ে যানবাহন নামানোর জায়গা না থাকায় ঘাটে ভিড়তেই পারেনি ফেরিটি। বাধ্য হয়ে ফেরিটি প্রায় ৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত ৫ নম্বর ফেরিঘাটে চলে যায়। তখন ওই জনস্রোত ধাবিত হতে থাকে ৭ নম্বর ঘাটের দিকে।বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (মেরিন) আবদুস সাত্তার প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার ভোর থেকেই ঘাটে মানুষের চাপ। ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় তাঁরা গাড়ি পারাপার করেছেন ৩০০টির মতো। অথচ যাত্রী পারাপার হয়েছে দুই লাখের মতো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com