শামিম বিশ্বাস, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধিঃ
শেখ সোহেল রানা টিপু রাজবাড়ী জেলার কৃতি সন্তান, শেখ সোহেল রানা টিপু বাল্যকাল থেকেই বড় হয়েছেন পাংশা উপজেলা তে, তার স্কুল জিবন মাধ্যমিক শেষ হয় পাংশা জর্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সে লেখাপড়ায় বেশ মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়ায়, সে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ালেখা শুরু করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়ন কলে ছাত্র সংগঠন ছাত্র রাজনীতি শুরু করে। পরবর্তীতে ১/১১ সময় নেত্রীর মুক্তির দাবিতে সভা সংগ্রাম করে। তিনি তখনকার তুখর ছাত্র নেতা নেত্রীর আস্থা অর্জন করেন। আজও তার সৃতিতে সাবেক সাধারন সম্পাদক কবি জসীমউদ্দিন হল ছাত্রলীগ , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ।সাবেক সভাপতি ,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ,বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ । সে এখন তহার নিজ জেলা রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আসার দৌড়ে প্রথম স্থানেই আছে বলে জানাগেছে। সরজমিনে দেখা যায়, সাধারণ মানুষে গুনজনে, চায়ের দোকানে, সাধারণ মানুষে কথা শেখ সোহেল রানা টিপুই হবে রাজবাড়ী জেলার আগামীর সাধারণ সম্পাদক। এ ব্যপারে শেখ সোহেল রানা টিপুর সঙ্গে মোবাইল ফোন কথা হলে তিতি জানান, আমি শেখ হাসিনার একজন খুদ্র কর্মী বটে, আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি রাজবাড়ী জেলার মানুষের জন্য। আমি মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই, এবং সবসময়ই করে যাচ্ছি।
এই কথা গুলোই বলেছেন রাজবাড়ী জেলার কৃতি সন্তান গনতন্ত্রের চরম সংকটে অবৈধ ফখরুদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কঠোর আন্দলোনের ডাক দেওয়া তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু।
সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতা ছাত্র জীবনেই প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থালাভ করেন।এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের ও দ্বায়ীত্ব পালন করেন।
শুধু তাই নয় এই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সর্বপ্রথম স্বৈর সমর্থিত সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেত্রী মুক্তির আন্দলোন শুরু করেন- যার ফলস্বরূপ সারাদেশে নেত্রী মুক্তির আন্দলোন শুরু হয়।
সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতার জন্ম রাজবাড়ীর কালুখালি উপজেলার সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তার পিতা শেখ রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুজিব রণাঙ্গনের সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনিও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কালুখালি উপজেলা শাখার অন্যতম সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন দ্বায়ীত্ব পালন করেন।
শেখ সোহেল রানার বেড়ে উঠা রাজবাড়ী – ২ আসনের অন্যতম শহর পাংশা পৌর এলাকায়, যার ফলে গত পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী হয়ে প্রচার প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করেন। এছাড়াও দেখা যায় নির্বাচনের দিন পৌরসভা ধীন কুড়াপাড়া ৫নং ওয়াডের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে।
আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে ছেলে বেলা থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে যুক্ত হন।
দিনে দিনে তিনি নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলেন, যার ফলে শেখ হাসিনা নিজেই শেখ সোহেল রানা টিপু কে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করেন।
গত ২ বছর যাবত করোনা মহামারীর কারণে নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন এই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। তিনি তার কর্মীদের দিয়ে এমনকি নিজেও রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেন অসহায় মানুষের কাছে।
রাজবাড়ী জেলার নবীন প্রবীণ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের এখন একটায় দাবী আগামী জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে শেখ সোহেল রানা টিপু কে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক করা হবে।
Leave a Reply