রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ঝালকাঠিতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না সাধারন মানুষ

ঝালকাঠিতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না সাধারন মানুষ


মো. নাঈম ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

করোনা প্রতিরোধে আবারও আরোপ করা হয়েছে বিধিনিষেধ। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ চলমান থাকবে। সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় ২৩টি শর্ত যুক্ত করে এবারের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এতো কিছুর পরেও সাধারন মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবনতা যেমন নেই তেমন নেই মাক্স পরার আগ্রহ। মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকলেও নানা অজুহাতে কারনে অকারনে রাস্থায় বেড়িয়ে আসছে তারা। ঝালকাঠির রাজাপুরে রবিবার (২৫ জুলাই) তৃতীয় দিন সকাল থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে ২৩ নির্দেশনার সব ছিল উপেক্ষিত। উপজেলার কোথাও কোথাও অল্প সময়ের জন্য প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পরলেও উপজেলার অনেক প্রান্তেই দেখা মেলেনি প্রশাসনের লকডাউন বাস্তবায়নের কার্যত্রুম। নেই কোনও চেক পোষ্ট। লকডাউন কার্যকর করতে বাশঁ বেঁধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলেও ঠেকানো যাচ্ছে না মানুষের চলাচল। উপজেলার মাছ, মাংস, ফল, সবজি, মুদিখানা সব দোকানেই ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়ছে ভিড়। পাশাপাশি সাধারন মানুষ ঠিকমতো মাস্ক ব্যবহার করছেন না। উপজেলায় করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না অধিকাংশ মানুষ। কঠোর বিধি নিষেধে প্রথম দিন থেকে তৃতীয় দিনে অনেকটা গা ছাড়াভাবে চলছেন তারা। উপজেলা একমাত্র হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার বাইরে রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী ভর্তি রয়েছে। এ অবস্থায় স্বল্প জনবল নিয়ে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। কিন্তু সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা যেনো মানছেইনা এই কঠোর বিধিনিষেধ। সচেতন মহল বলছেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর করা জরুরি। সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে শহরের পাশাপাশি গ্রামের হাট বাজারে বিধিনিষেধ কার্যকর করা জরুরি।সরেজমিন দেখা গেছে, রাজাপুর থেকে সারা দেশের সঙ্গে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকলেও আঞ্চলিক সড়ক এমনকি শহরের উপর দিয়ে চলছে মাহেন্দ্র, সিএনজি অটোরিকশা, মটর সাইকেল সহ ব্যাটারি চালিত যানবাহন। সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের অফিস বন্ধ থাকলেও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। সড়কেও মানুষের চলাচল স্বাভাবিক। উপজেলার বিভিন্ন সড়কে শুধু যাত্রীবাহী বাস ছাড়া অন্যান্য যানবাহন চলাচল করেছে যথারীতি। উপজেলা সদরের বাঘড়ী বাজারে লোকসমাগম ছিল তুলানামূলক ভাবে অনেক বেশি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com