শোকবার্তা
ডেস্ক নিউজ:
গণসংগীতের কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আলমগীর ২৩ জুলাই শুক্রবার রাত ১০ টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের কোভিড আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু আজ এক বিবৃতিতে কিংবদন্তি গণসংগীত শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি স্ত্রী,তিন ছেলেসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
ফকির আলমগীর ১৯৫০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার কালামৃধা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।বাংলাদেশের সকল ঐতিহাসিক আন্দোলনে তিনি তাঁর গান দিয়ে মানুষকে উজ্জীবিত করেছেন। ষাটের দশকের আন্দোলন সংগ্রামে এবং ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে তিনি গান নিয়ে শামিল হয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ফকির আলমগীর সাংস্কৃতিক সংগঠন ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা,সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ সভাপতি সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন। সংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক,ভাসানী পদক,সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার,তর্কবাগীশ স্বর্নপদক,জসীম উদ্দিন স্বর্নপদক,কান্তকবি পদক,গণনাট্য পুরস্কার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক মহাসম্মাননা,বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপে ভূষিত হন।
Leave a Reply