আতিকুর রহমান, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট শফিকুল আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমপিসহ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। গতকাল রাতে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ শোক বার্তা জানানো হয়।
উল্লেখ্য করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর গত শনিবার (১৭ জুলাই) উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। (ইন্নাল্লি……রাজিউন)।
এ্যাডভোকেট সফিকুল আলম জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের কাতিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, সুনামগঞ্জ জর্জ কোর্টের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), পাইলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে এবং ১ মেয়েসহ অসংখ্য স্বজন রেখে গেছেন।
এদিকে অ্যাডভোকেট শফিকুল আলমের মৃত্যুতে পরিকল্পনা মন্ত্রী আলহাজ্ব এমএ মান্নান এমপি, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
সজ্জন রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও সমাজসেবক শফিকুল আলমের প্রথম জানাজার নামাজ রবিবার (১৮জুলাই) সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ নতুন আদালত প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৩টায় দ্বিতীয় জামাজা অনুষ্ঠিত হয় জগন্নাথপুর মাদ্রাসা সম্মুখে। জানাজা শেষে নিজ গ্রামের বাড়ি কাতিয়ায় মরহুমের লাশ নিয়ে আসা হলে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারন হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার জনসাধারন প্রিয় মানুষটিকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে আসেন। সন্ধ্যা ৬টায় তৃতীয় জানাজার নামাজ শেষে পঞ্চায়িত কবর স্থানে তাকে দাফন করা হয়।
Leave a Reply