মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ভুরুঙ্গামারীতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততা ফিরেছে কামার পল্লীতে

ভুরুঙ্গামারীতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততা ফিরেছে কামার পল্লীতে


ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ

দুদিন পরেই পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানীর ঈদ। আর কোরবানির ঈদকে ঘিরে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে শেষ মুহূর্তে  ব্যস্ততা ফিরেছে কামার পল্লীতে। টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে পড়েছে কামার পল্লী। কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছে কামাররা। পশুর মাংস কাটার নতুন সরঞ্জামাদি তৈরি ও পুরাতন দা, বটি, ছুরি, চাপাতি শান দেয়ার ধুম পড়েছে। কোরবানির ঈদকে ঘিরে অনেকটা ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার পল্লীর বাসিন্দারা। 
সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভুরুঙ্গামারী বাজারের সবগুলো কামারের দোকানে বিদ্যুৎচালিত শান মেশিন ব্যবহার করে অল্প সময়ে অধিক কাজ করছেন কামাররা। পাশাপাশি আগুনের বাদির মাধ্যমে লোহা পেটাচ্ছেন অন্য কর্মচারীরা। এছাড়া গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় মৌসুম ভিত্তিক কামাররা রেত (শান দেয়ার যন্ত্র) দিয়ে দা, বটি ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জাম শান দিচ্ছেন। 
ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও কামারের দোকান মালিক রোকুনুজ্জামান কর্মকার জানান, করোনার কারনে দীর্ঘদিন দোকান বন্ধ ছিল। আয় রোজগার বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কোরবানীর ঈদকে ঘিরে আবারও দোকান চালু করেছি। পশু জবাই থেকে শুরু করে কোরবানি র মাংস রান্নার  চুড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যন্ত দা, বটি, ছুরি, চাপাতি ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি প্রয়োজন হয়। বছরের অন্যান্য সময় কাজ কম থাকলেও এ সময়ে আমরা কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ি। 
পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকেরছড়া গ্রামের বাসিন্দা আমিনুর কর্মকার জানান, সরা বছরই কষ্ট করে চলতে হয়। তার উপর করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবের কারনে দীর্ঘদিন লকডাউনে বন্ধ রাখতে হয়েছে দোকান। এ সময়টা খুব কষ্ট করে চলতে হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে ব্যবসার। ঈদ এলেই আমাদের কর্মব্যস্ততা বেড়ে যায়। চাঁদ রাত পর্যন্ত নির্ঘুম কাটাতে হয়। একসময় এ পেশায় অনেক লোক ছিল কিন্তু এখন আগের মতো কাজের লোকও মিলছে না। বাপ-দাদার ব্যবসা কোনরকম টিকিয়ে রেখেছি। তাছাড়া করোনার কারনে ক্রেতাও কমে গেছে। 
চর-ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের ক্রেতা রিয়াজুল হক জানান, একটি দা আকারে ও লোহা ভেদে ২শ-৫শ টাকা, ছুরি ১শ থেকে ৫শ টাকা, হাঁড় কাটার চাপাতি একেকটি ৩শ থেকে ৬শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং পুরোনো যন্ত্রপাতি মেরামত করতে ১শ থেকে ৩শ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন কামাররা। 
তিনি আরও বলেন, মনে হচ্ছে দাম একটু বেশি তারপরও কি করবো সামনে ঈদ। প্রয়োজনের তাগিদে নিতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন তাদের ব্যবসাও বন্ধ ছিল। সবমিলিয়ে দাম একটু বাড়তি নিলেও আপত্তি করছি না। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com