-শামিম বিশ্বাস রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
ঈদকে সামনে রেখে বুধবার মধ্যরাত থেকে আটদিনের জন্য কঠোর লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। আজ ৪ দিন চলছে ডিলেডালা ভাবে। ফলে সড়কে আবারও স্বাভাবিক হয়েছে গণপরিবহন। চলছে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে , ভাড়া দ্বিগুন। ঘড় মুখি মনুষের উপছেপড়া ভির। এছাড়া বিভিন্ন দোকানপাট খুলেছে, দোকান গুলোতে ক্রতার ব্যপক ভির লক্ষ্য করা গেছে। শুরু করেছে আগের মতো। ক্রেতার ভিড় বাড়ছে শপিংমল সহ মার্কেট গুলোতে। এ দিকে লকডাউন দিলে মানুষের আহাজারি, কি খাবো? কি করবো? আসলে এ আহাজারি মনুষের অভিনয় মনে হয়েছে। কারণ, মার্কেট গুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, মনুষের ব্যপক ভির। ব্যপক হারে কেনা কাটা করতে দেখাগেছে, আরো দেখা গেছে ছেলেদের থেকে, মেয়ে দের ব্যপক উপস্থিত, ফ্রিজের দোকান গুলোতে ক্রতার ভির সবচে বেশি। মনুষ যে হারে ফ্রিজ ক্রয় করছে তাতে মনে হয় না কেউ লকডাউন আসলে না খেয়ে, অনাহারে থাকে। বাজারে কিছু সচেতন মহলের সাথে কতা হলে জানা যায়, মানুষ এখন সবচে বড় অভিনেতা। লকডাউন আসলে, মনুষের অভিনয়ের শেষ থাকে না। সচেতন মহল আরো বলেন যে, শপিংমল, ফ্রিজের দোকানের অবস্থা দেখলে এ অভিনয় বোঝা যায়। তরা আরো বলেন, লকডাউন আসলে সবচে বেশি কষ্টে দিন পার করে নিন্ম মধ্যবিত্ত রা, তারা করো কছে হত পাততে পরেনা, পয় না কোনো অনুদান। এ ভাবে চলতে থাকলে কি হবে? জানতে চান সচেতন মহল।
তবে সরকার জাতীয় পরামর্শক কমিটি ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ কে গুরুত্ব না দিয়ে ‘ঈদ উদযাপন ও দরিদ্র মানুষের রোজগারের স্বার্থে’ কঠোর লকডাউন শিথিল করেছে। আগামী ২৩ জুলাই ভোর থেকে ফের ১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হবে। তাতে জরুরি সেবা বাদে শিল্পকারখানাসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আবারো সবাইকে জানিয়ে রখি
রাজবাড়ী জেলার গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে গুলোতে রয়েছে মানুষের উপছে পড়া ভিড় নেই স্বাস্থ্য বিধি মানার বালাই। সব থেকে বেশি লোক সমাগম দেখা গেছে ফ্রিজ শোরুম গুলোতে। এখানে পুরুষের থেকে মহিলাদের উপস্তিতি বেশি ছিলো।
রাজবাড়ী জেলা শহর, পাংশা ও বালিয়াকান্দির গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দেখেগেছে, মানুষের ব্যপক উপস্থিত।
রাজবাড়ী কুষ্টিয়া হাইওয়ের পাশের দোকানি আব্দুল আজিজ বললেন, ‘ভাই, দুই সপ্তাহ পর দুহান খুললাম। মাসের অর্ধেকটা শেষ দোকান ভাড়া কী দিব, সংসার খরচ কোথা থেকে মিলাব।’
এদিকে লকডাউন শিথিল করে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় আজ ভোর থেকেই জেলার বিভিন্ন রুটে ছোট-বড় বাস, সিএনজিচালিত অটো রিকশা, ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, টেম্পুসহ বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রী চলাচল শুরু হয়। ভোর বেলায় পরিবহন ও যাত্রী সংখ্যা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে রাস্তায় গণপরিবহনসহ অন্যান্য যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
সরেজমিনে রাজবাড়ী জেলার পাংশা আজিজ সরদার মোড়, কালুখালি চাঁদপুর বাস স্টান্ড, গান্দিমারা বাস স্টান্ড, রাজবাড়ী নতুন বাজার, বড়পুল, গোয়ালন্দ মোড় ও দেশের অন্যতম নৌরুট গোয়ালন্দ ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তায় সকাল থেকেই লোকজনের উপস্থিতি অনেক বেশি। ঘরমুখি মনুষ উপছে পড়ে ভির বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে বাসের হেলপারদের উঁচু গলায় যাত্রীদের ডাকতে দেখা যায়। আর আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার জন্য একাধিক ব্যাগ নিয়ে বহু যাত্রীদের বাসে ও অন্যান্য পরিবহনে উঠতে দেখা যায়।
Leave a Reply