বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে ইজারা ছাড়াই বালু উত্তোলন

দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে ইজারা ছাড়াই বালু উত্তোলন


দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)সংবাদদাতা:


নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগর ইউনিয়নের কেরণখলা গ্রামের সোমেশ্বরী নদীতে বাংলা ড্রেজার বসিয়ে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। স্থানীয় কারও কোন কথাই পাত্তা দিচ্ছেন না স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই স্বপন মিয়া। ওই এলাকার প্রভাবশালী মহলটি কোন প্রকার ইজারা ছাড়াই সোমেশ্বরী নদীর খাস জায়গার মাঝখান থেকে ড্রেজার বসিয়ে লক্ষ লক্ষ ঘনফুট বালু উত্তোলনের পর বিশাল স্তূপ করে ভেকু দিয়ে বালু তুলে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা।
রোববার ১৭ জুলাই বিকেলে কেরণখলা এলাকায় সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।স্থানীয় ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বালু উত্তোলনের কারণে আশপাশের কৃষকের ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। কেরণখলা বেরিবাঁধটি ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে পড়ার শঙ্কায় ভুগছেন স্থানীয়রা। অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের ফসলি জমি হুমকীতে রয়েছে বলে জানান কৃষকরা।
ক্ষতিগ্রস্থরা বাঁধা দিলে ওই প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী মহলটি মারমুখী হয়ে উঠেন বলেও অভিযোগ অসংখ্য ভুক্তভোগীর। পহেলা রমজানে চন্ডিগর ইউপি চেয়ারম্যান আলতাবুর রহমান কাজলের প্রভাব কাটিয়ে ছোট ভাই স্বপন মিয়া কেরণখলা গ্রামে তার পরিত্যক্ত জমিতে স্থানীয় সেকুল মিয়া, কাশেম মেম্বার, হাবিল উদ্দিন সহ আরো দুজন মিলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন শুরু করে বিশালাকার স্তূপ তৈরী করে। পরে সেখান থেকে বালু বিক্রির মহোৎসব চালাচ্ছে দেদারছে এমহলটি।
ওই অবাধ বাণিজ্যে প্রতিযোগিতায় নেমে স্বপনের বাল্রু ফুট থেকে দুইশত গজ দক্ষিণে স্থানীয় আব্দুল আজিজ, মিলন মিয়া, ছিদ্দিক, সালাম, আল আমিন ও সেলিম মিলে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে স্তূপ করে রাখে। সম্প্রতি ওই বালুর স্তূপটি ৬লাখ টাকায় চুক্তিতে বিক্রি করেছেন বলে জানান স্থানীয়রা। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওইসব বাংলা ড্রেজার আপাদত বন্ধ রেখেছে। তবে অচিরেই ওইসব বালু ব্যবসায়ীরা ড্রেজার বসানোর পরিকল্পনা করছেন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষ এক ড্রেজার মালিক ঘটনাস্থলে নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুল আজিজের বালুর স্তূপের অল্প দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হলেই দেখা মেলে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ সরকারের নেতৃত্বে সঙ্গীয় দুইজন পার্টনার নিয়ে ড্রেজার দিয়ে সোমেশ্বরী নদী থেকে বালু উত্তোলন করে দেদারছে বালু বিক্রি করেছেন। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয়রা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। তারা উপজেলা প্রশাসন সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com