সাজ্জাদ হোসেন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার ফাজিলহাটি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী গ্রাম কুমারজানী। নিম্নবর্ণের জনগোষ্ঠী এ অনগ্রসর বহু সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস এই গ্রামে।
কুমারজানী গ্রামের মধ্যবর্তীস্থানে কুমারজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে, গ্রামের জামে মসজিদের সাথে জনগুরুত্বপূর্ণ এই জায়গাতে প্রাকৃতিক হ্রদের উপর ২৫-৩০ বছর পূর্বে এক সময় এখানে একটি পাঁকা সেতু ছিল।
১৯৯৮ সালের বন্যায় পাঁকা সেতুটি ভেঙে গিয়েছিলো কিন্তু আজো সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রতিনিধিদের কারো সুনজর পড়েনি এই সেতুটির উপর। এলাকাবাসীও হয়তো কাউকে বুঝাতে সক্ষম হয়নি এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটির বিষয়ে। কাউকে বুঝাতে পারেনি, তাই অবহেলায় পড়ে আছে অবহেলিত জনপদের এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটি সেতুবিহীন। এখন ঝুঁকি নিয়েই এই বাঁশের সাঁকু পেড়িয়ে এলাকার জনসাধারণ চলাচল করে থাকে। স্থানীয় জনগণ মসজিদ, মন্দিরে এবং কোমলমতি শিশু ও ছাত্র/ছাত্রীরা কুমারজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে (যদিও করণাকালীন সময়ে এখন প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকার ঘোষিত বন্ধ আছে) থাকে।
এমনকি উল্লেখিত এলাকার ছাত্র/ছাত্রী অন্যান্য বিদ্যালয়ে, কলেজে ও পুটিয়াজানী বাজারে যাতায়াতের জন্য কুমারজানী, শাহধারীপাড়া, মেরুয়াঘোনা দক্ষিণপাড়া ও পাইকপাড়ার একাংশের জনগণের চলাচলের জন্য একমাত্র সেতু এটি, যা এখন চলাচলের অনুপযুক্ত।
এলাকার মানুষের প্রাণের দাবী কুমারজানী গ্রামের মধ্যবর্তীস্থানে জনগুরুত্বপূর্ণ এই জায়গাতে যেন একটি পাঁকা সেতু নির্মাণ করা হয়। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের নিকট স্থানীয় জনগণের অনুরোধ এলাকার জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে একটি পাঁকা সেতু নির্মাণকরণে বিশেষ নজর দেওয়া হয়।
Leave a Reply