গাজী তাহের লিটম, জেলা প্রতিনিধি :
ভোলার লালমোহনে এক যুবতীকে শ্লীলতাহানি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের লম্পট মোম্বার মো. হারুন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত ১২টার দিকে লালমোহন উপজেলা সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
প্রতক্ষ্যদর্শী এবং ওই যুবতীর মায়ের বরাতে জানা যায়, উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মাসুূদের স্ত্রী অসুস্থজনীত কারণে লালমোহন সদর হাসপাতালে ভর্তি হন । হাসপাতালের ৩য় তলায় চিকিৎসাধীন থাকেন তিনি। মায়ের দেখাশুনার জন্য সাথে ছিলেন তার যুবতী মেয়ে।এদিকে যুবতীকে দেখে তার উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে হাসপাতালে অনুপ্রবেশ করা কালমা ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. হারুনের।
প্রথমে যুবতীকে কিছু না বললেও তার দিকে ফেলফেল করে তাকিয়ে থাকে হারুন। এভাবে কিছুক্ষণ কেটে গেলে রাত ১২টার দিকে যখন মাকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে যুবতী, তখন সুযোগ বুঝে যুবতীর বুকে হাত দেয় ইউপি সদস্য হারুন।এমন সময় নিজের কাছে থাকা হাতপাখা দিয়ে হারুন কে আঘাত করে যুবতীর মা। পরে ৩য় তলা দৌড়ে নিচতলায় পালিয়ে আসে হারুন, তবে গেট বন্ধ থাকায় পালাতে পারেনি সে।
পরে ওই যুবতীর মাসহ অন্য রোগীর স্বজনরা ইউপি সদস্য হারুন কে গণধোলাই দেয়।কালমা ৭নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ হারুন বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কান্ডটি ঘটিয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ মো. মহসিন খান বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য অভিযুক্ত কে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
লালমোহন থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ বলেন, এমন সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল।যুবতীর মায়ের বরাত দিয়ে ওসি আরও বলেন, হারুন কে সন্দেহ করেছিলেন তারা, তবে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে একজন ইউপি সদস্যের এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনায় লালমোহনের সর্বত্র সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় বইছে।
Leave a Reply