এনামুল হক রাশেদী, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালীপুরইউনিয়নের (অস্থায়ী) গুনাগরী বাজারইজারাদার কর্তৃক ইউনিয়ন ভূমি অফিসেরজায়গা দখলপুর্বক অর্ধশতাধিক দোকান নির্মাণকরে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে দখল বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগউঠার পর উপজেলা প্রশাসন অভিযোগ যাঁছাই-বাছাই করে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হলে অবৈধ প্রায় অর্ধশতাধিক দোকান উচ্ছেদ করেছে। অস্থায়ী গুনাগরী বাজার ২০২১-২০২২সালের ইজারাদার কর্তৃক নতুন করে ভূমিঅফিসের জায়গা দখল করে নির্মাণকৃত ৬টিমুরগীর দোকান সহ মুদির দোকান, চায়েরদোকান, পানের দোকান ও মাছের দোকানমিলিয়ে অর্ধশতাধিক অবৈধ দখলকৃতদোকানগুলো উচ্ছেদ করেন উপজেলা প্রশাসন।
১৪ জুলাই, বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল৫টা পর্যন্ত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামচৌধুরীর নেতৃত্বে শক্তিশালী প্রশাসনিক একটি টীম এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগীতায় ছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাঁশখালী থানাপুলিশ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাঁশখালী চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ওকালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান এড. আ.ন.মশাহাদত আলম।
অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদমাজহারুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে ব্যবসায়ীরাঅভিযোগ করেন যে, তারা বাজারে নবনির্মিতদোকানগুলো ইজারাদারের কাছ থেকে প্রতিটি দোকান ৩০ হাজার টাকা করে দাম দিয়ে দখলক্রয় করেছেন। এসময় ইজারাদার হাসানকামালের কাঁছে অবৈধ দোকানগুলোর দখল বিক্রি করে টাকা নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলেতিনি (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে) বলেন, “স্যার আমি২৮ হাজার টাকা করে নিয়ে ব্যবসায়ীদের সুবিধারজন্য সাবমারসিবল(গভীর নলকূপ) পাম্প সহপানির ড্রাম স্থাপন করেছি এবং দোকানগুলোনির্মাণ করেছি। কার কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েকরেছেন জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে চুপ থাকলেও কিছুক্ষন পরে বলেন,ইউনিয়ন ভূমি অফিসারের পরামর্শ নিয়ে পানিরপাম্প স্থাপন করেছি।” ইজারাদার হাসান কামাল অবৈধ সব দোকান ও করেনি বলে দাবী করে বলেন, ব্যবসায়ীরা নিজে নিজেও কয়েকটি দোকান নির্মাণ করেছেন। কোকদন্ডী ইউনিয়নভূমি কর্মকর্তা বাজার ইজারাদারের সাথে এই বিষয়ে কোন আলাপ-আলোচনা হয়নি বলে দাবী করেন।
এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলামচৌধুরী বলেন, ভূমি অফিসের জায়গায় বাজারইজারা দেওয়া হয়নি। ভূমি অফিসের জায়গাদখল করার কোন সুযোগ নেই, পূর্বের ন্যায়বাজার যতটুকু ছিল তাতে বাজার বসবে, ভূমিঅফিসের সামনে প্রধান সড়ক দখল করে নানান রকম ফলের দোকানগুলো ব্যবসায়িদেরকে স্ব-স্ব দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।ভূমি অফিসের জায়গায় গাড়ী পার্কিং না করার জন্য সিএনজি শ্রমিকদেরও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।। পরবর্তীতে ভূমি অফিসের জাগায় দখলকরে দোকান নির্মাণ, গাড়ী পার্কিং করা হলেকঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করে দেন এসি ল্যান্ড।
Leave a Reply