মিজানুর রহমান, শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
আসন্ন কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থান কোরবানির পশুর হাটে প্রচুর গরুর ছাগলের আমদানি হয়েছে। ক্রয়-বিক্রয় বেশ জমজমাট। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বালাই নেই বললেই চলে।বুধবার (১৪ জুলাই) বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থন পশুর হাটে বগুড়ার বিভিন্ন এলাকার কৃষক, গরু ব্যাবসায়ী ও খামার মালিকদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব কমাতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা জরুরী। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম সম্পার নিদের্শনায় হাটে আগত ব্যক্তিদের তাপমাত্রা পরীক্ষা ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, ক্রেতা ও বিক্রেতারা কিছুই মানছেনা। অনেকেই মাস্ক ছাড়াই হাটে ঘোরা ফেরা করছে। হাটে ঢুকতে ও চালান পরিশোধের সময় ক্রেতাদের মাঝে কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব নিশ্চিত করার করার কথা থাকলেও কেউ মানছেনা। এমনকি একটি পশু থেকে আরেকটিকে রাখতে অন্তত ৫ ফুট দূরে সহ ১৬ টি স্বাস্থ্য বিধি নিদের্শনা মেনে কোরবানীর পশু হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় করার ব্যবস্থা করা হলেও ক্রেতা বিক্রেতারা মানছেনা। মহাস্থান হাট কমিটির ইজারাদার রাগেবুল আহসান রিপু বলেন, হাটে ৪০ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে ১৫ টি’র ও বেশি হাত ধোয়ার জায়গা করা হয়েছে এবং হাটে আগত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য ৪টি পয়েন্টে মাইক দ্বারা জন সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তার পরেও অনেক ক্রেতা-বিক্রেতা স্বাথ্যবিধি মানছেন না। তবে গতবারের তুলনায় ক্রয়-বিক্রয় এই বার অনেক বেশি। হাটে কোরবানীর পশুর স্বাথ্য পরিক্ষার জন্য ২ জন ডাক্তার রাখা হয়েছে এবং সিসি ক্যমেরা দ্বারা হাট নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং হাট কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সার্বক্ষনিক পর্যাবেক্ষণ করা হচ্ছে।শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য সব রকম ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ তা অমান্য করলে জেল-জরিমানা করা হবে। তিনি আরও বলেন, হাটে যারা প্রবেশ করবেন তাদের ভালো করে সাবান অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে এবং মাস্ক পরতে হবে।
Leave a Reply