শামিম বিশ্বাস, রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের কমিটি নিয়ে উদ্বিগ্ন ও কৌতূহল । জেলা জুড়ে আওয়ামীলীগের নবীন ও প্রবীণদের মধ্যে উঠছে উদ্বেগ। সচেতন মহালদের আলোচ্য বিষয়। কে হবে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এমপি জিল্লুল হাকিম অন্য দিকে আগামী জেলা কাউন্সিলে সভাপতি হিসেবে তৃণমূল থেকে বার বার নাম উঠে আসছে জেলা আওয়ামীলীগের স্পন্দন নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আকবর আলী মর্জির।বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আকবর আলী মর্জি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিব রণাঙ্গনের একজন সাহসী সৈনিক। বর্তমানে তিনি রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আকবর আলী মর্জি বঙ্গবন্ধু কন্যা সফল রাষ্ট্র নায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহধন্য আস্হাভাজন, বাংলাদেশ আওয়ামলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দুঃসময়ের রাজপথের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধুর পুত্র শেখ কামালের বন্ধু , বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি ও আওয়ামী যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল করীম সেলিমের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা।এই বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তির অতীত সম্পর্কে জানা যায়, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য, সাবেক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাদক্ষ্য, সাবেক রাজবাড়ী জেলা পরিষদের সফল প্রশাসক, ঢাকা তেজগাঁও কলেজের সাবেক ভিপি, ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ আন্দোলনে তৎকালীন সরকারের রোষানলে দীর্ঘ ২ বছর ২ মাস কারভোগকারী, বিগত দিনে রাজবাড়ী জেলায় তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শত শত স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন, ১/১১ এর তৎকালীন সেনাসরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন, সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করে যাচ্ছেন দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সুখদুঃখের সাথী হয়ে।আসন্ন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে, জেলার আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের তৃনমুলের দুঃসময়ে হামলা, মামলা, জেল জুলুম হুলিয়া, অত্যাচার নির্যাতনের স্বীকার নেতাকর্মীরা সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আকবর আলী মর্জি কে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন প্রবীণ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী বলেন, বর্তমান জেলা কমিটি শীর্ষ নেতাদের কারণে হাইব্রিড আওয়ামীলীগের অনুপ্রবেশ ঘটেছে যা দুক্ষ জনক। আমাদের দাবী বর্তমান কমিটির শীর্ষ পদের পরিবর্তন আসুক।
Leave a Reply