মামুন শিকদার মাহিন,সখিপুর(টাঙ্গাইল):
টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার নদীনালা, খালবিল ও মাঠঘাট এখন ছেয়ে গেছে ‘চায়না’ জালে। সরজমিনে উপজেলার বহেড়াতৈল, দাড়িয়াপুর, বেতুয়া,পলাশতলি, তৈলধারা, ইন্দারজানী, কচুয়া, বড়চওনা,কতুবপুর সহ প্রায় সকল গ্রামের নিচু জমিগুলোতে দেখা গেছে অসংখ্য চায়না জাল।
জালের মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় বলছেন,এটা এমন একটি জাল এমন কোনো মাছ নেই যেটা এই জালে ধরা পড়বে না।
যেখানেই একটু পানি জমেছে সেখানেই এই জাল পাতা হচ্ছে। আর অবাধে ডিমওয়ালা দেশি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা হচ্ছে। জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাস মাছের প্রজনন কাল। চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে নতুন পানিতে মা-মাছ ডিম ছাড়তে পারে না আর এজন্য প্রাকৃতিকভাবে মাছের উৎপাদন ও কমে যাবে।
এ বিষয়ে ইন্দারজানী এলাকার (চাটার পাড়া) গ্রামের মাসুম শিকদার এর সাথে কথা বলে জানাযায় এই জালের দাম একটু বেশি হলেও পোষায় কারন এত মাছ অন্য কোনো জালে ধরা পড়ে না।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সমীরণ কুমার সাহা বলেন, দেশীয় মাছ জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় এই দুুই মাসে প্রজনন হয় তাই তিনি ডিমওয়ালা মাছ না ধরার জন্য সখীপুরবাসীকে অনুরোধ করেছেন এছাড়াও চায়না জাল ও কারেন্ট জাল বিক্রি বন্ধে বিক্রয়কারী ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিত্রা শিকারি জানান, মৎস অধিদপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে চায়না জাল অপসারণে ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া আগামী সপ্তাহেই অসাধু মাছ শিকারিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন।
Leave a Reply