শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ভূরুঙ্গামারীর দুধকমার নদে ফাঁদ পেতে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ শিকার

ভূরুঙ্গামারীর দুধকমার নদে ফাঁদ পেতে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ শিকার


ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর নদ-নদীগুলোতে অতি সূক্ষ্ম এক প্রকারের বিশেষ জাল দিয়ে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন করছে একটি অসাধু চক্র। এতে ভরা মৌসুমে নদ-নদীগুলো মাছ শূন্য হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর শুরু হয়েছে কারেন্ট জালের চেয়েও সূক্ষ্ম চায়না জালের ব্যবহার। চায়না জাল নদী জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়। এতে সব ধরনের দেশীয় মাছ ধরা পড়ে। বিশেষকরে ডিমওয়ালা মাছ নিধন করায় ক্রমেই মাছ শূন্য হয়ে পড়ছে নদীগুলো।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার এক শ্রেণীর অসাধু মাছ ব‍্যবসায়ী বাজার থেকে চায়না জাল কিনে তার সাথে লোহার চিকন রিং দিয়ে বিশেষ কায়দায় ৭০/৮০ ফুট লম্বা এক ধরনের ফাঁদ তৈরি করছেন। এসব ফাঁদের রযেছে বাহারি নাম। কেউ বলছেন ম‍্যাজিক জাল, কেউ বলছেন পাইলিং জাল, ড্রাগন জাল ও রিং জালও বলছেন কেউ কেউ। 
উপজেলার দুধকমার নদের বিভিন্ন স্থানে এসব জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করা হচ্ছে। ডিঙি নৌকা দিয়ে প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু হয় জাল পাতার প্রক্রিয়া। সারারাত পেতে রাখার পর সকালে জাল তুলে মাছ ধরা হয়।
জালে ধরা পড়ছে বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। ছোট বড় কোন মাছই রেহাই পাচ্ছেনা। শুধু মাছই নয়, নদীতে থাকা ব্যাঙ, কুচে সহ জলজ প্রাণীও রক্ষা পাচ্ছে না এই জাল থেকে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী বলেন, যারা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা নিধন করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com