আরিফুল ইসলাম,রাঙ্গামাটি:
আজ ১২ই জুলাই সোমবার নানান জল্পনা কল্পনার পর র্পাবত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন র্বোডে চেয়ারম্যান হিসেব নিয়োগ পাওয়া নিখিলি কুমার চাকমা আনুষ্ঠানিকভাবে তার দ্বায়িত্ব বুজে নিয়েছেন।
তিনি ঢাকা থেকে রাঙামাটিতে আসার সময় ঘাগড়া, চম্পাতলী, মানিকছড়িসহ বিভিন্নস্থানে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। রাঙামাটির ভেদভেদিস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বিশ্রামাগারে এসে পৌছলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান আশিষ কান্তি বড়ুয়া, সদস্য ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, হারুন অর রশিদ ও রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরন করে নেয়া হয়। সেখান পরে নবাগত চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি,জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতি ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পন করেন। বিকেল সাড়ে তিনটায় রাঙামাটি জেলা আওয়ামলীগ কার্যালয়ে অনুষ্টিত সংবর্ধনা সভায় যোগদান করেন।
এছাড়াও নবাগত চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খাদ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার নবাগত চেয়ারম্যানকে আন্তরিকভাবে কাজ করে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন তরান্বিত করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।
এসময় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ জে এফ আনোয়ারা চিনু, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য হাজী কামাল উদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী,সাবেক চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন,অংচা প্রু মারমা, সাধারন সম্পাদক হাজী মুসা মাতব্বর, পৌর সভার মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী, চেম্বার অব কর্মাসের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ওয়াদুদ, রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুজ্জমান চৌধুরী রোমানসহ বিভিন্নস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন
এর আগে গত ৭ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন নিখিল। সোমবার রাঙামাটিতে আগমন এবং সেদিন থেকেই তার আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা নিজেই। দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
এসময় নিখিল কুমার চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের সামগ্রীক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানোই হবে আমার চ্যালেঞ্জ। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আজ যে গুরু-দায়িত্ব দিয়েছে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের মাধ্যমেই নিজের দায়িত্ব পালন করবো।
পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি শান্তি স্থিতিশীল সম্প্রীতি ও উন্নয়নের মডেল হিসাবে রুপান্তর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে আধুনিক হিসাবে গড়ে তুলতে আমাদের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। যে পরিকল্পনা গুলো আমরা ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবো।পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে আমরা যাতে জনমুখী করে তুলতে পারি তার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
Leave a Reply