মিজানুর রহমান, শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দোপাড়া গ্রামের প্রতিবন্ধী নারী আজিজা। চার বছর আগে বাড়ির পালিত গাভী থেকে জন্ম নেয়া ছোট্ট শাহীওয়াল জাতের বাছুরটিকে লালন-পালন করতে করতে ছোট্ট বাছুরটি আজ ২৮ মন ওজনের বিরাট ষাঁড়ে পরিনত হয়েছে। গত বছর দাম ভালো না পেয়ে গরুটি বিক্রি করতে পারেননি তিনি। এবার করোনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনের মেয়াদ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। গ্রাম পর্যায়ে করোনা ভাইরাস এর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামের হাট বাজার গুলোতে সরকার আরোপ করেছে বিধিনিষেধ।সরকার সীমিত আকারে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত হাটের সময় বেঁধে দিলেও তার একমাত্র ছেলে যথা সময়ে গরু হাটে তুলে বিক্রি করতে পারেননি। এই সময়ে বার বার হাটে গরু নিয়ে যাওয়ার মত তার কেউ নেই। এতো বড় আকারের ষাড় কেনার মত খদ্দেরও তার মেলেনি। তাই তিনি করোনার এই সময়ে কোরবানির হাটে ষাঁড়টি বিক্রি করা নিয়ে বেশ চিন্তিত। সঠিক মূল্য না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।আজিজা ষাঁড়টি কোরবানি উপলক্ষে ভাল দাম পাওয়ার আশায় বিক্রির জন্য বড় করেছেন। দাম হাকা হচ্ছে ৭ লক্ষ টাকা। এরই মধ্যে অনেকে তার এই ষাঁড়টি দেখার জন্যে বাড়িতে ভিড় করছেন। দেশি ঘাস, খড়, খৈল, খুদ, গুড়া খাইয়ে সৌখিনভাবে গরুটি পালন করেছেন। গো-খাদ্যের দাম চড়া হলেও গরু পালনে কার্পণ্য করেননি। তবে বাজারে করোনার কারনে পশুর দাম নিম্মমুখী হওয়ায় ষাঁড়টি নিয়ে বেশ চিন্তিত তিনি। প্রতিবন্ধী নারী আজিজা বলেন, গত বছর গরুটির দাম ভালো না পেয়ে বিক্রি করতে পারিনি। ভেবেছিলাম এবার ভালো দাম পাবো। এখন দাম পাওয়া তো দূরের কথা বিক্রি হবে কিনা সন্দেহ রয়েছে।
Leave a Reply