সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে তরল অক্সিজেন ট্যাংকের পাশেই ধুমপান!

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে তরল অক্সিজেন ট্যাংকের পাশেই ধুমপান!


বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:


যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের সামনে স্থাপন করা হয়েছে ৬ হাজার লিটারের হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার তরল অক্সিজেন ট্যাংক। জণগনকে সচেতন করতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের চারপাশে সতর্কতামূলক বিলবোর্ড লাগিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ । বিলবোর্ডে লেখা আছে ‘সাবধান তীব্র দাহ্য পদার্থ। আশেপাশে চলাচল ও ধুমপান সম্পূর্ণ নিষেধ’। এছাড়াও আশেপাশে ইজিবাইক রিকসা না রাখার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষে নির্দেশনার বিলবোর্ড রয়েছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। সেখানে যে যার মতো চলাচল করছে। ট্যাংক স্থাপনের জায়গার প্রাচীরের গাঁয়ে গড়ে ওঠা টোং দোকানে দাঁড়িয়ে যে যার মতো সিগারেট জালাচ্ছেন। যা ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠছে। 
হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালে করোনা রোগীর চাপের কারণে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ বেশি। রোগীদের নিরবিচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন সুবিধা দিতে ২৯ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়  হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার অক্সিজেন ট্যাংক। এই ট্যাংকে ৬ হাজার লিটার তরল অক্সিজেন রিপিল (ভরা)  করা যায়। হাসপাতালের দায়িত্বরত মেডিকেল কলেজের অবেদন (অ্যানেস্থেসিয়া) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহসান হাবিব জানান, তরল অক্সিজেন হলো  দাহ্যপদার্থ। এরপাশে আশেপাশে সিগারেট সেবন করা অত্যন্ত ঝুঁকি। কারণ দাহ্য পদার্থে খুব সহজে আগুন ধরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যে কারণে ট্যাংকের চারপাশে সতর্কতামূলক বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। এরপরেও মানুষ সচেতন না হওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ ট্যাংকের পাশে রয়েছে হাসপাতালে প্রবেশের প্রথম গেট। তরল অক্সিজেন ট্যাংক স্থাপনের পর গেটটি বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। বন্ধ গেটের সামনের এলাকায় মোটরসাইকেল রাখে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা। সেখানে দাঁড়িয়ে অনেকেই ধুমপান করে। রাতের বেলার চিত্র আরও ভয়াবহ। ট্যাংক প্রাচীরের গাঁ ঘেষে বসানো হয় চা পান সিগারেটের একাধিক অস্থায়ী টোং দোকান। সতর্কতামূলক বিলবোর্ডকে তোয়াক্কা না করে অনেকে চা খাওয়ার পর সিগারেট জালায়। কঠোর লকডাউনের মধ্যে ভোর রাত পর্যন্ত ওই সব দোকান খোলা রাখা হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ জানান, দাহ্যপদার্থ বিপদজনক হওয়ায়  তরল অক্সিজেন ট্যাংকের চারপাশে প্রাচীর দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। পুরাতন প্রাচীরের পাশে থাকা ডেনের ওপর দিয়েও মানুষের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান জানান, তরল অক্সিজেন সিলিন্ডারের পাশে ধুমপান করার বিষয়ে তিনি শুনেছেন। সতর্কতামূলক বিলবোর্ড থাকার পরও ধুমপান করা হলো মানুষের এক প্রকার অসচেতনতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com