শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ভোলায় ক্যানসারে সর্বশান্ত ফজলুর চিকিৎসায়পরিবারের আকুতি

ভোলায় ক্যানসারে সর্বশান্ত ফজলুর চিকিৎসায়পরিবারের আকুতি


গাজী তাহের লিটন:


বেঁচে আছে সে! চোখের কোণ্ গড়িয়ে ঝরছে বিরামহীন কান্না।বড় অসহায়ত্বের বিবর্ণ স্বপ্ন নিয়েও স্ত্রী, সন্তান আর স্বজনদের মাঝে এখনো তাঁর বাঁচার আকুতি।কিন্তু প্রয়োজন বিত্তবান মানুষের নিখাঁদ ভালোবাসার মানবিক সাহায্য। কেউ আছে কী এমন? 
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ২নং ওয়ার্ডের মোঃ রওশন জামান এর ছেলে মোঃ ফজলু।বৈবাহিক জীবনে এক মেয়ে ও দুই ছেলের জনক তিনি। স্থানীয় একটি স্ব’মীলে কাজ করে চলত তাঁর সংসার। গত দুবছর আগে হঠাৎ ধরা পড়ে তার পাইলস/অর্শরোগ। সাময়িক চিকিৎসা চালাতে থাকে। পরে জানা যায়, মলদ্বারে একটি টিউমারও হয়। একপর্যায়ে আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতা ও ধারদেনা করে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে টিউমারটি অপারেশন করানো হয়। এভাবেই চলতে থাকে আরো কিছুদিন। 
ভাগ্যের কি নির্মম পরিনতি! এরই মধ্যে তাঁর শরীরে বাসা বাঁধে মরণব্যাধি ক্যানসার। যার সঠিক চিকিৎসা ও থেরাপি দিতে গুনতে হয় অনেক টাকা৷ 
অভিজ্ঞ ডাক্তারগণ বলেছেন, তাকে ঔষধ সেবনের পাশাপাশি ছয়টি কেমোথেরাপিও দিতে হবে। যার এক-একটির মূল্য ১১ হাজার টাকা।
ইতিমধ্যে তাঁর স্ত্রী একটি গার্মেন্টসে ও বারো বছর বয়সি ছেলেটি একটি চায়ের দোকানে চাকুরী করে এবং একমাত্র সম্বল ঘর ও ভিটাটি কিছু টাকার বিনিময় বন্ধক রেখে ঔষধ কিনা সহ দুটি থেরাপি দিতে পারলেও একদিকে বাকী রয়েছে চারটি থেরাপি অন্যদিকে প্রতিদিনের ঔষধ ও সংসার খরচ!। এ যেনো তাঁর মাথার উপর দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক পাহাড়। 
ফজলুর স্ত্রী লাইজু বেগম বলেন, স্বামীর এমন অবস্থায় আমি ও আমার বারো বছর বয়সের ছেলে চট্টগ্রামে চাকরি করেছি। লকডাউনের কারণে আমরা চাকরি হারাই। আর ছেলের বয়সও কম হওয়ায় কেউ কাজে নিতে চায় না। বর্তমানে আসেপাশের লোকজন কিছু দিলে খাই না দিলে উপবাস থাকা ছাড়া করার কিছু নেই। এখন স্বামী ও সন্তানদের দিকে তাকিয়ে রাস্তায় ভিক্ষা করা ছাড়া যেনো আর কিছুই দেখছি না আমি। দয়া করে আপনারা আমাদের এ অসহায় পরিবারের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com