সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রৌমারীতে একটি সেতুর অভাবে দশ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ!

রৌমারীতে একটি সেতুর অভাবে দশ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ!

সাকিব আল হাসান রৌমারী(কুড়িগ্রাম): 

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে একটি সেতুর অভাবে প্রায় এক যুগ ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের বাসিন্দাদের। এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা সবুজপাড়া খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো। এ সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে আহতও হচ্ছেন অনেকে। তবুও ঝুঁকি নিয়ে তাদের এ সাঁকো দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে।বর্ষা এলে এলাকাবাসীর নৌকাই ভরসা। শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কমে গেলে এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মিত হয় বাঁশের সাঁকো। এ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মতো বৃদ্ধ ও নারীদের নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে একাধিকবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। চর বামনের চর গ্রামের আমজাদ হোসেন, রতনপুর গ্রামের সাজাহান সিরাজ, খাঠিয়ামারী গ্রামের বাসিন্দা ফরহাদ হোসেন জানান, প্রতি বছর বর্ষাকালে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে বাঁশের তৈরি সাঁকোটি ভেঙে তছনছ হয়ে যায়। এ সময় মারাত্মক কষ্ট ভোগ করতে হয় গ্রামবাসীকে। এ জন্য প্রতি বছর আশ্বিন মাসে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সাঁকোটি বাঁশ দিয়ে নির্মাণ করেন। প্রতি বছর দীর্ঘ সাঁকোটি তৈরিতে খরচ হয় ৩০-৩৫ হাজার টাকা। ৪নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সালু জানান, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, এখানে একটি সেতু নির্মাণ করা হোক। সরকারি উদ্যোগে তা বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে। তিনি এ জন্য সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com