শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
শিশু হত্যার শীর্ষে ব‌রিশা‌লের গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল

শিশু হত্যার শীর্ষে ব‌রিশা‌লের গৌরনদীর সুইজ হাসপাতাল

বরিশাল জেলা প্রতিনিধিঃ

দয়িত্বে অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার ফলে গর্ভের শিশুকে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে একটি বেসরকারী হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এমনকি মিথ্যা আশ^াস ও প্রতারনা করে প্রসুতি নারীর কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে ওই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তাছাড়া রোগীর স্বামীর কাছ থেকে জোরপুর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয়ারও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী স্বামী। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বেজগাতি সুইজ হাসপাতালের। এখানে হরহামেসাই শিশু হত্যার মত চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটিয়ে মানুষ মারার কারখানা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন এই সুইজ হাসপাতাল।গত (২৫ জুন) শুক্রবার আরও একটি শিশু মৃত্যুর খবর দিয়ে আবারও আলোচনায় নাম লেখালেন সেই আলোচিত সুইজ হাসপাতাল। ঘটনাটি কয়েকদিন আগের হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে জিম্মি থাকায় এত দিন মুখ খুলতে পারেন নি ভুক্তভোগী রোগীর পরিবারটি। জানা গেছে, গত শুক্রবার উপজেলার ধানডোবা গ্রামের বাসিন্দা সবুজ ভ’ইয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগমের প্রসব ব্যথা উঠলে সুইজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। হাসপাতালে আসলে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে দায়িত্বরত থাকা ডাঃ (ডিএমএফ) শফিকুল ইসলাম নিজেই আলট্রাসনোগ্রামসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গর্ভের বাচ্চা ও মা দু’জনই সুস্থ আছেন মর্মে জানান। এবং আগামী ২ সপ্তাহ পরে বাচ্চা প্রসবের সময় হবে বলে ব্যাথা উপশমের জন্য স্যালাইন ও প্রয়োগ করেন ডাঃ শফিক। এমতাবস্থায় ফরিদা বেগমের ব্যাথা আরও বেড়ে যাওয়ায় স্যালাইনে একটি ইনজেকশন পুশ করান এই ডিএমএফ ডাঃ শফিক। এবং ফরিদাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখার পরামর্শ দেন তিনি। রবিবার (৪ জুন) হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ফরিদার শাশুড়ী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণ পড়ে ফরিদার ব্যাথা আরো বেড়ে যায়। এই অবস্থায় আমি একা মহিলা কোন উপায় না পেয়ে অসহায়ের মত বারবার ছুটে যাই নার্সদের কাছে। কিন্তুএত রাত্রে ডাক্তারকে ডাকা যাবেনা তাহলে ডাক্তার রাগ করবেন বলে জানায় নার্স। নার্সের এরকম আচরণে সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে পেটের ভিতর মারা যায় ফরিদা আমার ছেলের সন্তান।এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদের প্রতি উল্টো অভিযোগ এনে জানান, রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের বিল পরিশোধের না করার জন্য একটি মিথ্যা ঘটনা সাজিয়েছে। কিন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেন ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনরা।এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাঃ মো সাইয়্যেদ মোঃ আমরুল্লাহ জানান, সুইজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com