রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আইসিইউ সংকটের আশঙ্কা

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আইসিইউ সংকটের আশঙ্কা


বিল্লাল হোসেন,যশোর:


যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গের রোগীরা মেঝেতে থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন। ওয়ার্ডে শয্যার তুলনায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে আইসিইউতে ১১ শয্যার একটিও খালি নেই। যে কোন সময় সংকটের তৈরি হতে পারে। 
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ জানান, শুক্রবার করোনা রেডজোনে নারী ও পুরষের দুইটি ওয়ার্ডে ৮০ শয্যার বিপরীতে চিকিৎসাধীন ছিলেন ১২১ জন করোনাক্রান্ত রোগী। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে ১৯ শয্যার ইয়োলোজোনে রোগী ছিলেন ৪৭ জন। ওয়ার্ডে  শয্যা খালি না থাকায় নতুন রোগী ভর্তি হলে তাদের  মেঝেতে রাখা হচ্ছে। এছাড়া আইসিইউতে ১১ শয্যায় ১১ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে একটি শয্যা ফাঁকা নেই। হঠাৎ করে কারো আইসিইউ সাপোর্টের প্রয়োজন হলে দেয়া সম্ভব হবে না। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন করোনা ও উপসর্গের রোগী বাড়ছে। হাল্কা জ্বর ও সর্দি কাঁশিতে আক্রান্ত হলেই বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। যে কারণে এখানে রোগীর চাপ বাড়ছেই। কম উপসর্গের রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে চিকিৎসাব্যবস্থার উদ্যোগ নেয়া উচিৎ মনে বলে করেন আরএমও ডা. আরিফ আহমেদ।  অন্যথায় কোভিডে আক্রান্ত  ও উপসর্গের রোগী সামাল দিতে চিকিৎসক সেবিকাদের আরও হিমশিম অবস্থার মধ্যে পড়তে হবে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ইয়োলো জোনের মেঝেতে চাপাচাপি করে থাকছেন রোগীরা। এখানে যারা চিকিৎসাধীন নমুনা পরীক্ষায় তাদের  কারো করোনা পজেটিভ ও কারো নেগেটিভ। অথচ জায়গা সংকটের কারণে সকলেই পাশাপাশি থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন। ফলে হাসপাতাল থেকেই করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর আশংকা রয়েছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আক্তারুজ্জামান জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও উপসর্গের  রোগীরা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নেয়ার বিষয়টি অত্যান্ত দুঃখজনক। তাদের দুর্ভোগ লাঘবে সব ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সাজেদা ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত সুবিধায় করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা পরিধি বাড়ানো হয়েছে। ফাউন্ডেশনের ১০ জন চিকিৎসক, ১২ জন স্টাফ নার্সসহ আর ২৭ জন স্টাফ দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া হাসপাতালের ১৩ জন নিজস্ব চিকিৎসক রয়েছেন। তাদের ৪ জন বিশেষজ্ঞ ও  সহযোগী রয়েছেন ৯ জন।  যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, করোনা রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় একটু সংকটের তৈরি হয়েছে।  মেঝেতে থাকলেও চিকিৎসাসেবার সমস্যা হচ্ছেনা। সিভিল সার্জন জানান, দুর্ভোগ লাঘবে বেসরকারি জনতা হসপিটালেও কিছু রোগী রাখা হচ্ছে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com