মোঃ সাইফ উদ্দিন রনী, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান:
কুমিল্লায় মেয়াদোত্তীর্ন ঔষধ রাখার দায়ে ভূয়া‘এফসিপিএস’ডা: সজীব নূরকে লাখ টাকা জরিমানা, বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টার জরিমানাসহ সিলগালা, গোমতী হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। অপর ডাক্তার কাজী উম্মে কুলসুম পালিয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন রায় জানান কুমিল্লা বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টারের বিরুদ্ধে দালাল ব্যবহার করে রোগী নিয়ে আসাসহ নানাহ অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা জেলাপ্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিভাগ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন্স এলাকায়। এসময় বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও নামের পাশে ‘এফসিপিএস’ শিক্ষাগত যোগ্যতা ব্যবহার করে চিকিৎসা প্রদান করছেন সজীব নূর এবং উম্মে কুলসুম নামে দুই চিকিৎসককে পাওয়া যায়। চিকিৎসক সজীব নূরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করলেও অপর ভূয়া পদবি এফসিপিএস ব্যাবহারকারী চিকিৎসক উম্মে কুলসুম ভ্রাম্যমান আদালতের চোঁখ ফাকি দিয়ে পালিয়ে গেছে। এছাড়া সেখানের প্যাথলজিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ক্যামিকেল এবং মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া বিভিন্ন রিপোর্ট পাওয়া গেলে ওই প্রতিষ্ঠানকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি সিলগালা করে দেয়া হয়।
আরেক অভিযানে নগরীর নজরুল এভিনিউ এলাকায় গোমতী হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে স্বাস্থ্য বিভাগের ভ্রাম্যমান আদালত।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে অংশ নেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. সৌমেন রায়, ডা. ইকবাল হাসান মাহমুদ ও ডা. সৈয়দ মইনুল হক সৈকত।
Leave a Reply