সরোয়ার জাহান সোহাগ,ডিমলা প্রতিনিধি:
নীলফামারী ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের দোহল পাড়া গ্রামের পুর্ব দোহল পাড়ার তিস্তা নদীর গ্রামরক্ষা বেড়ি বাঁধটি ভাঙনের কবলে পড়েছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ বাঁধটি সংস্কার না হলে যে কোনো সময় গ্রামটির প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার সহ হাজার একর আবাদি জমি পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
রোববার (২৭ জুন) পর্যন্ত বাঁধটির বিভিন্ন স্থানে ছোট-খাটো ভাঙন দেখা দিলেও একটি স্থানে প্রায় ১শত মিটার বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
জানা যায় সপ্তাহ খানেক আগে উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আকস্মিক বেড়ি বাঁধটির ভাঙন শুরু হয়। দু-একদিন পর পানি কিছুটা কমতে থাকার সাথে সাথে বাঁধে ভাঙনের তীব্রতা আরও বাড়তে থাকে। প্রতিদিন যুক্ত হচ্ছে নতুন করে ভাঙন। খুব দ্রুত বেরিবাঁধটি সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কার্যক্রম শুরু না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভাঙনের প্রায় এক সপ্তাহ হলেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ তো দুরের কথা সংশ্লিষ্টরা এক নজর তা দেখতেও আসেনি।
এলাকাবাসীর দাবি, আমরা সরকারের কাছে ত্রাণ চাই না, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ চাই। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র মতে, রোববার (২৭ জুন) ভোর ৬টায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে পানি থাকলেও সন্ধ্যা ৭টায় তা কমে বিপদসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাঁধটি কতৃপক্ষ দ্রুত মেরামত ও পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহন না করলে ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এলাকাবাসী সহ ভাঙনরোধে আমরা আপাতত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহনের চেষ্টা করলেও খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিষয়টি জানার পর রোববার সেখানে আমাদের প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে, পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট অনুসারে বাঁধ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডিমলা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায় বলেন, বিষয়টি জেনে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব কে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিস্তারিত জানাতে বলেছি
Leave a Reply