আব্দুল আলীম খান পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীতে নিজের কুঁড়ে গোয়াল ঘরে আগুন দিয়ে স্থানীয় শালিস ব্যবস্থা না মেনে জমি দখলের চেষ্টায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের উত্তর ধরান্দী গ্রামে। জানা যায় জমিজমা বিরোধের জেরে গত ০২.০২.২১ তারিখ ওমর আলী এবং তার ছেলে দুলাল ও জলিল, নজরুল হাওলাদার, আলমগীর হাওলাদার সহ তাদের নিজেস্ব লোকজন দিয়ে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে বাড়ীতে থাকা কুঁড়ে গোয়াল ঘরে আগুন দিয়ে একই বাড়ীর মোঃ জসিম উদ্দিন ও সুমন গংকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালায়। পরে সমস্যা নিরসনের জন্য এলাকার জনপ্রতিনিধি ইউপি সদস্য মোঃ ওহাব রারীসহ এলাকার গণ্যমাণ্যবর্গ উভয় পক্ষকে নিয়ে একটি সালিশ বৈঠকে বসেন। উক্ত সালিশ বৈঠকে কুঁড়ে গোয়াল ঘরে কে বা কাহারা আগুন লাগিয়েছে এর কোন সুনির্দৃষ্ট প্রমান না পাওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ আপোষ মিমাংসা করে দেন। পরে সালিশীদেরকে অমান্য করে ওমর আলী বাদী তার ভাতিজা জসিম ও সুমন সহ ৫জনকে আসামী পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেস আদালতে একটি মিথ্যা ঘর পোড়া মামলা দায়ের করেন।যার মামলা নং-৫৭৬/২১, তাং-০১.৬.২১। এবিষয়ে ইউপি মেম্বার ওহাব রাঢ়ী জানান, কে বা কাহারা আগুন লাগিয়েছে তার কোন প্রমান না পাওয়ায় উপস্থিত ৮জন সালিশ গনের মতামতের ভিত্তিতে উভয় পক্ষের মধ্যেও বিরোধ মিমাংসা করা হয়। তিনি আরও জানান ঘটনা মিমাংসা হওয়ার ৪মাস পরে অহেতুক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানিমুলক মামলা করেন যা ভিত্তিহীন। মিথ্যা মামলার স্বীকার জসিম উদ্দিন জানান, আমি দীর্ঘদিন ২০ বছর যাবৎ আমার পরিবার পরিজন নিয়ে ঢাকায় বসবাস করি, এই সুযোগে আমাদের পত্রিক জমিজমা দখলের উদ্দেশ্যে নিজেরা আগুন দিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে।
Leave a Reply