মোঃ সাইফ উদ্দিন রনী, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান:
কুমিল্লা নগরীর হাউজিং এস্টেট গোল মার্কেট এলাকা ও বাগিচাগাও এলাকা থেকে স্বামী স্ত্রীসহ ৩তিন প্রতারক চক্রকে আটক করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। সোমবার বিকালে মামলা দায়ের পর জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।
বিকাশ প্রতারক রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার শাহদারা গ্রামের মৃত কাসিম উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ মুসলিম আলী মোস্তফা ও তার স্ত্রী নাজনীন আরা। আরেক প্রতারক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পবহাটি গ্রামের কাজী সাজ্জাদের ছেলে কাজী পলাশ ।
নগরীর হাইজিং এস্ট্রেট গোল মার্কেট এলাকায় রাকিব স্টোশনারী নামে বিকাশ দোকান থেকে প্রতিবেশি ভাড়াটিয়া মোস্তফা ও তার স্ত্রীর নাজমার পার্সোনাল বিকাশ নাম্বারে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ৫১ হাজার টাকা লুট করেন। ওই টাকা মুহূর্তের মধ্যে অন্য নম্বরে ট্রান্সফার করে ম্যাসেজ ডিলিট করে দেন তারা। পরে দোকানের মালিক ইমাম হোসেনের কাছে টাকা চাইলে তারা বলেন আমাদের নাম্বারে টাকা আসেনি। এ ঘটনায় দোকানের মালিক ইমাম হোসেন কোতয়ালী থানায় তাদের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণা মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের আটক করে। অপর দিকে কাজী পলাশ বিকাশ প্রতারণা চক্রের সাথে যোগ দিয়ে বিকাশ দোকান থেকে গোপনে গ্রাহকদের নাম্বার সংগ্রহ করে সহযোগীদের পাঠিয়ে দিতেন। পরে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতেন।
এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ভোক্তভোগি ইমাম হোসেনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুই বিকাশ প্রতারককে আটক করা হয়েছে। অপর দিকে নগরীর বাগিচাগাও থেকে স্থানীয় এক বিকাশ দোকান থেকে গ্রাহকদের নাম্বার সংগ্রহের সময় কাজী পলাশ নামে একজনকে আটক করে পুলিশকে খবর দিয়ে আমরা গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বখতিয়ার উদ্দিন জানান, কুমিল্লায় অভিনব কায়দায় বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ৩ বিকাশ প্রতারককে আটক করা হয়েছে এর মধ্যে দুইজনের বিরুদ্ধে একজন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে, আরেক বিকাশ প্রতারককে আটক করতে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
Leave a Reply