মোঃ সাইফ উদ্দিন রনী, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান:
“মাস্ক পড়ার অভ্যেস, করোনা মুক্ত বাংলাদেশ-মাস্ক কুমিল্লা” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লা জেলা পুলিশ অভিযান, মাস্ক পরিধানে জনসচেতনতা তৈরী ও মাস্ক বিতরন কর্মসূচি পালন করে। সীমান্তবর্তী জেলা কুমিল্লাবাসীকে জনসচেতনায় জেলা পুলিশ এ পযর্ন্ত ২ লক্ষ ৭৩ হাজার মাস্ক বিতরন করেন।
ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টর দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছরিয়ে পড়ায় মহামারি করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গণসচেতনতায় মাস্ক পড়তে উদ্বুদ্ধ করা কর্মসূচির আওতায় আবার মাঠে নেমেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার নগরীর কান্দিরপাড়ে মাস্ক পরিধানে জনসচেতনতা তৈরী ও মাস্ক বিতরন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী মোহাম্মদ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ সোহান সরকার পিপিএমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে নগরীর কান্দিরপাড় সাত্তার খান শপিং কমপ্রেক্স, খন্দকার শপিং কমপ্রেক্স, সমবায় মার্কেট, ময়নামতি গোল্ডেন টাওয়ারসহ অন্যান্য শপিং মহলসহ সড়কে সর্বসাধারণকে মাস্ক পড়তে গনসচেতনতা তৈরী, মাস্ক বিতরণ ও একই সাথে যারা মাস্ক পড়ছেন না তাদের অবহিত করেন। কোভিড মোকাবিলায় মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধির কোনো বিকল্প নেই। দোকান-মালিক সমিতি, ব্যবসায়িক সমিতি, বাস-মালিক সমিতিকেও “নো মাস্ক, নো সার্ভিস” কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা জেলা পুলিশের। এ পর্যন্ত জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লক্ষাধিক মাস্ক বিতরন করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, করোনার ৩য় ধাপ মোকাবিলায় সীমান্তবর্তী কুমিল্লায় পুলিশকে মাঠে থেকে মানুষকে সচেতনতা বাড়ানোসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নির্দেশনা দেন পুলিশ সুপার মো: ফারুক আহমেদ। করোনাকালিন সময়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ২ লক্ষ ৭৩ হাজার মাস্ক বিতরন করা হয়েছে। কুমিল্লায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাস্ক শুমারি করা হয়েছিল তখন দেখা গেছে ৯৮ ভাগ মানুষ মাস্ক পরিধান করছে। সম্প্রতি সময়ে তা কমে গেছে। আমরা জানি ইতিমমেধ্য সীমান্তবর্তী এলাকায় করোনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েশন দেখা গেছে। সীমান্তবর্ত্তী এলাকা হিসেবে কুমিল্লাবাসীকে সচেতন করতে ও করোনা বিস্তার রোধ করতে আমাদের এ প্রয়াস। আমাদের মাস্ক বিতরন ও জনসচেতনতা কার্যক্রম চলমান থাকবে।
Leave a Reply