বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:
যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্নার নানা অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলনের ৬ জন সদস্য (মেম্বর)। বুধবার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে ওই চেয়ারম্যানের দুর্নীতির ফিরিস্তি বর্ণনা করেন তারা। এরআগে ৩০ মে চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্নার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেন ৬ ইউপি সদস্য।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গোলাম মোস্তফা। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ নির্বাচিত হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর শপথ গ্রহন করে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় অংশগ্রহন করে। কিন্তু চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না তাদের কোন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রাখেননি। সমস্ত কাজ পোষ্য দালাল দিয়ে করানো হয়। তারা নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হলেই গালিগালাজ ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন চেয়ারম্যান। ইতিমধ্যে গোলাম মোস্তফা ও সবুর হোসেনকে কয়েকটি মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। বর্তমানে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয় নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আজ অবধি তাদের কোন সম্মানিভাতা দেয়া হয়নি। চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না ইউনিয়নের জনগণকে জিম্মি করে শালিস বিচারের নামে অবৈধ অর্থ আদায় করেন। তার গোন্ডাবাহিনীদের দিয়ে জগহাটি বাওড় দখলসহ জমি দখলের মাধ্যমে চাঁদাবাজি করেন। সংবাদ সম্মেলনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল ইসলাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মান্নান, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আনিচুর রহমান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুস সবুর ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গিয়াস উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া অভিযোগের কপি সাংবাদিকের মাঝে সরবরাহ করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না বিগত অর্থ বছরে সরকারের বরাদ্দ টি আর, কাবিখা , এলজিএসপি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা , প্রতিবন্ধীভাতা, ভিজিডিভিজিএফসহ সকল প্রকল্প কার্যক্রমে ওই ৬ সদস্যকে রাখেননি। বিগত দিনে চেয়ার্যমানের নানা অনিয়ন ও দুর্নীতির বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও কোন প্রতিকার মেলেনি।
Leave a Reply