আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীর,ময়মনসিংহঃ
শেরপুরে নিজ গৃহ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক অস্ত্রের মুখে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে ছাত্রীর পরিবারের সহযোগিতায় এলাকাবাসী দুই জনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে।সোমবার রাতে সদর উপজেলার গাজীরখামার ইউনিয়নের খরখরিয়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।মামলার সূত্রে জানা যায়,টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রীকে (২০)দীর্ঘদিন যাবৎ উত্যক্ত করে আসছিল শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া গ্রামের মৃত জিয়াউল ইসলামের ছেলে মো. মিনহাজ। তাকে বিভিন্নভাবে বুঝানোর চেষ্টা করা হলে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে অপহরণের হুমকি দেয়। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,সোমবার রাত ৯টার দিকে মিনহাজ তার দুই বন্ধু আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রুমান ও বাপ্পীকে সাথে নিয়ে ছাত্রীর বাড়িতে এসে তার ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে তাকে টেনে-হিচড়ে অপহরণের চেষ্টা করে। এ সময় ছাত্রীর ডাক-চিৎকারে তার স্বজন ও আশে-পাশের লোকজন ছুটে গিয়ে মিনহাজ ও রুমানকে আটক করে ফেলে।আটকের সময় মিনহাজ তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে ছাত্রীর বাবাকে আঘাত করতে গেলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করে।পরে স্থানীয়রা পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে আটককৃতদের থানায় নিয়ে যায়।এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামি করে থানায় একটি অপহরণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেছে।মামলার বাদী অভিযুক্তদের ব্যবহার করা একটি চাকু ও মোটরসাইকেল উপস্থাপন করেছে।মিনহাজ ও রুমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তাদের একজনকে ছাত্রীর স্বজনেরা মারধর করায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।অপরদিকে মিনহাজ জানায়, মেয়েটির সাথে তার দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।গতকাল রাতে মেয়েটি তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়।পরে তার আত্মীয়-স্বজনরা আমাদেরকে মারধর করে পুলিশে দেয়।
Leave a Reply