আনোয়ার সাদত জাহাঙ্গীর,ময়মনসিংহঃ
শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী অবহেলিত গ্রাম বাবেলাকোনা ও হাড়িয়াকোনা। আদিবাসী অধ্যুষিতু এই এলাকার রাস্তাঘাট ও সেতু’র বেহাল দশা। পাহাড়ী ঝরনার খালের উপর সেতু না থাকায় এলাকার শিক্ষার্থী, লোকজন ও উৎপাদনকৃত পণ্য নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হত এলাকাবাসীদের। ভারতীয় পাহাড় থেকে নেমে আসা হাড়িয়াকোনায় বেলাত্থী নামক পাহাড়ী ঝরনার খালে সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীর।
অবশেষে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেন শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা আক্তার। ইউএনও’র আন্তরিক চেষ্টা, আর্থিক সহায়তা ও স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে ওই পাহাড়ী ঝরনার খালে উপর দুটি কাঠের ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। মঙ্গলবার (২৫ মে) বিকালে কাঠের সেতু দুটি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার (ভূমি) আতাউর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, টিডব্লিওএ চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম. সাংমা, ব্রীজ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি নিপুন ম্রং, সাংবাদিক রেজাউল করিম বকুল, সাংবাদিক তাসলিম কবির বাবু সহ স্থানীয় এলাকাবাসী। জানা যায়, ইউএনও’র উদ্যোগে উপজেলার প্রশাসনের আর্থিক সহায়তায় ও আদিবাসী নেতা উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসেসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা’র তত্ত্বাবধানে সেুত দুটি নির্মাণ করা হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা আক্তার বলেন, হাড়িয়াকোনা গ্রামে পাহাড়ের পাদদেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের বসবাস। দূর্গম পাহাড়ী খাল পাড় হয়ে পণ্যপরিবহন ও যাতায়াত করা অনেক কষ্টের ছিল। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ওই নদীর উপর দুটি সেতু নির্মাণ। তাদের কষ্ট লাঘবের কথা চিন্তা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে দুটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এ সময় তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি সদস্যদের আন্তরিকতা, স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সেতু নির্মাণ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
Leave a Reply