শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বন্যায় তালতলীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট

বন্যায় তালতলীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট

মো.মিজানুর রহমান নাদিম,বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলী উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ও বিভিন্ন এলাকার বসতবাড়ির টিউবওয়েল 
পানিতে ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।উপজেলার অনেক মানুষ এখন ও অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পানি সংগ্রহ করে থাকে।অনিরাপদ পানি ব্যবহার করার ফলে ডায়রিয়া ও পানিবাহিত রোগ দেখা দিতে পারে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,উপজেলার নলবুনিয়া
নিদ্রারচর,বড়অংকুজানপাড়া,ছোটভাইজোড়া,তেতুলবাড়িয়া,নিশানবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জায়গার বেড়িবাঁধ ও জোয়ারের পানিতে বাড়িসহ টিউবওয়লে প্লাবিত হয়েছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেখা দিয়েছে খাবার পনি সংঙ্কট। লবন পানিতে দেখা দিতে পারে পানিবাহিত রোগ। 

ছোট ভাইজোড়া এলাকার খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের টিউবওয়েল পানির নিচে। জমানো কিছু পানি ছিল সেটা দিয়েই চলছে। সবকিছু নিয়ে বড় বিপদে আছি।’

তেতুলবাড়িয়া গ্রামের হানিফ হাওরাদার বলেন, মোগো এই কস্টের কতা একটু উফুর মহলে জানাইয়া দেতে পারেনা,যাতে মোগো এই পানির কস্ট দুর হইতে পারে। পারলে একটু হেগো কান পর্যন্ত পৌঁছে দেন। 

নিশানবাড়ীয়া এলাকার বেলাল হোসেন ফারাবী বলেন, পূর্ণিমার জোয়ার ও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রাভাবে এ এলাকার নিম্ন স্থানগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পড়েছে খাবার পানির সংস্কর। শঙ্কা রয়েছে পানিবাহিত রোগের।

সোনাকাটা ইউনিয়নের আব্দুল্লাহ আল ইভান বলেন, বন্যা ও পূর্ণিমা জোয়ারের পানিতে এই এলাকা অনেক মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছিল। টিউবওয়েল পানিতে ঢুবে যাওয়াতে পড়েছে খাবার পানি সংঙ্কট।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কাশেম বলেন, ‘যেখানে টিউবওয়েলের ব্যবস্থা নেই সেখানে আমরা অস্থায়ী টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছি। পানি সংক্রান্ত যেকোনো অসুবিধায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিক সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাওসার হোসেন বলেন,যারা পানি বন্দী রয়েছে তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপদ পানির ব্যবস্থাও করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com