মোঃ কামরুজ্জামান খাঁন পিকলু (চিতলমারী, বাগেরহাট)ঃ
সুপার সাইক্লোন ইয়াসের প্রভাবে চিতলমারী সদর ইউনিয়নের খড়িয়া- আরুলিয়া এলাকায় শতাধিক বাড়ি-ঘর ও চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়াও ডুমুরিয়া, রায়গ্রামের অস্যংখ্য ঘর-বাড়িসহ চিংড়ি ঘের প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে।
২৬ মে বুধবার বিকাল ৩ টার দিকে চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ লিটন আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অপূর্ব দাস এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা প্লাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, চিতলমারী সদর ইউনিয়নের আরুলিয়া গ্রামের রিং বেড়িবাঁধটি বুধবার (২৬ মে) দুপুর ১২ টার দিকে ভেঙে গিয়ে প্রায় শতাধিক বাড়িতে পানি উঠে যায়। এতে বেশ কিছু চিংড়ি ঘেরও প্লাবিত হয়। স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধের মেরামত কাজ করছেন। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরিভাবে ভাঙ্গন কবলিত স্থান সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আরুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি প্লাবিত হয়েছে।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. লিটন আলী জানান, ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছি এবং জরুরি সহায়তা ছাড়াও ভাঙন কবলিত স্হান দ্রুত মেরামতের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবেলার জন্য সর্বাত্মক অগ্রিম প্রস্তুতি হাতে নেওয়া হয়েছিল। সকলকে নিরাপদে থাকার জন্য এলাকায় ব্যাপকভাবে মাইকিংও করা হয়।
এ ব্যাপারে চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধ মেরামতের জন্য জরুরিভাবে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।
Leave a Reply