শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
আজ ২৫ মে জাতীয় কবির জন্মবাষির্কী কবি নজরুল চিরভাস্বর হয়ে আছে কুমিল্লাবাসীর হৃদয়ে

আজ ২৫ মে জাতীয় কবির জন্মবাষির্কী কবি নজরুল চিরভাস্বর হয়ে আছে কুমিল্লাবাসীর হৃদয়ে


মোঃ সাইফ উদ্দিন রনী, কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান:


আমি চিরতরে দূরে চলে যাবো/তবু আমারে দেবো না ভুলিতে…।’কাজী নজরুল ইসলামের এই চয়নটুকু চিরভাস্বর হয়ে আছে কুমিল্লাবাসীর হৃদয়ে। কুমিল্লার মাটি ও মানুষের সঙ্গে নজরুলের রয়েছে অটুট বন্ধন। কবি নজরুল ইসলামের প্রেম-বিরহ, বিবাহ, সংগীত-সাহিত্য চর্চা ও ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামের অসংখ্য ¯ৃ§তি জড়িয়ে আছে শিক্ষা ও সাহিত্যের পাদপিঠ কুমিল্লার সঙ্গে। মানবতা, সাম্য ও বিদ্রোহের কবি নজরুলের জীবন ও সাহিত্য কর্মের বিরাট অধ্যায়জুড়ে আছে কুমিল্লা। আর এ জন্য নজরুল নিয়ে চর্চা ও গবেষনার জন্য কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠা করা হয় নজরুল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্র। কুমিল্লায় কবি লিখে গেছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান ও কবিতা। আর জনপ্রিয় গান ও কবিতার জন্য কুমিল্লার নজরুল প্রেমী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা নজরুল চর্চায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
কলকাতা ও ময়মনসিংহের ত্রিশালে জীবন যাপন করলেও কাজী নজরুল ইসলাম কবি হয়ে উঠেছেন এই কুমিল্লায়। কুমিল্লায় কবির পথচলাকে জীবন্ত ধরে রাখতে এখানে নজরুলের স্মৃতি সংরক্ষন ও নজরুল চর্চা বৃদ্ধির দাবী নজরুল প্রেমীদের।
আজ ২৫ মে মঙ্গলবার জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের কবির ১২২তম জন্মবার্ষিকী। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কবির স্মৃতিবিজড়িত কুমিল্লায় করোনা মহামারির কারনে সীমিত পরিসরে পালন হচ্ছে বিভিন্ন কর্মসূচি। এ উপলক্ষে আজ সকাল ৯টায় কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে চেতনায় নজরুল ম্যুরালে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সন্ধায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ভার্চয়াল আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মুরাদনগরের দৌলতপুরে উপজেলা প্রশাসন থেকে নজরুল ম্যুরালে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হবে।
১৯২১ সালের এপ্রিল মাসে প্রথম কুমিল্লায় আসেন কবি নজরুল। সে যাত্রায় মুরাদনগরের দৌলতপুর অবস্থান করেন তিন মাস। দ্বিতীয়বার ১৯২১ সালের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর, তৃতীয়বার ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন, চতুর্থবার ১৯২২ সালের অক্টোবর থেকে ২৩ নভেম্বর এবং পঞ্চমবার ১৯২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে চলে যাওয়ার তারিখ অজ্ঞাত পর্যন্ত। অর্থাৎ তিনি কুমিল্লায় এসেছিলেন মোট পাঁচবার। সব মিলিয়ে থেকেছেন প্রায় ১১ মাস। নজরুলের দাম্পত্য জীবনের বন্ধনও ঘটেছিল কুমিল্লায়। দুই মহীয়সী নারীর পাণিগ্রহন করে কুমিল্লার সঙ্গে তার ঘটেছিল চিরায়ত নারীর সংযোগও। নজরুলের যৌবনের কিছু উজ্জ্বল সময় সময় কেটেছে মুরাদনগর উপজেলার দৌলতপুরে। বিদ্রোহী কবি দৌলতপুরে এসে হয়ে গেলেন প্রেমের কবি। এক নারী কবির জীবনের গতিপথও বদলে দিলো। কবি নিজেই বলেছেনÑ ‘এক অচেনা পল্লী বালিকার কাছে/ এত বিব্রত আর অসাবধান হয়ে পড়েছি,/ যা কোন নারীর কাছে হয়নি। …’এ বালিকাটি আর কেউ নন, তিনি মুরাদনগরের বাঙ্গরা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মুন্সী বাড়ির আবদুল খালেক মুন্সীর মেয়ে সৈয়দা খাতুন। আদর করে কবি তাকে ডাকতেন নার্গিস।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন নজরুল। সে যুদ্ধে ক্যাপ্টেন আলী আকবর খাঁর সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং হƒদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আলী আকবর নজরুলের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাকে কুমিল্লায় নিজের গ্রামের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। ১৯২১ সালের ৩ এপ্রিল নজরুল কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম মেইলে করে আলী আকবর খাঁ’র সঙ্গে রাতে কুমিল্লায় আসেন। ট্রেনে বসে তিনি রচনা করেন ‘নীলপরী’ কবিতাটি। ওই রাতে নজরুল কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড়ে তার সহপাঠী বন্ধু বীরেন্দ্র কুমার সেনের বাড়িতে ওঠেন। কান্দিরপাড়ে দু’দিন বেড়ানোর পর ৬ এপ্রিল আলী আকবর খাঁ নজরুলকে নিয়ে মুরাদনগরের বাঙ্গরা ইউনিয়নের দৌলতপুরে আসেন। বর্তমানে যেখানে আলী আকবর মেমোরিয়াল ট্রাস্টের বিল্ডিংটি অবস্থিত। এখানে আরেকটি ঘর ছিল, এ ঘরেই নজরুলকে থাকতে দেওয়া হয়। এই বাড়িতে থাকার সুবাদে আলী আকবর খাঁর ভাগ্নি পাশের বাড়ির সৈয়দা নার্গিস আশার খানম এর সঙ্গে নজরুলের পরিচয় হয় এবং দু’জনে গভীর প্রেমে মগ্ন হন।
দৌলতপুরে ৭৩ দিন অবস্থানকালে নজরুল ১৬০টি গান ও ১২০টি কবিতা। এখানকার রচনা নজরুলকে প্রেমিক কবি হিসেবে পাঠক দরবারে পরিচিত করেছে।
দৌলতপুর থাকাকালে নজরুল যেসব গান আর কবিতা লিখেছেন, এসব গান ও কবিতার বিষয়জুড়ে ছিলেন শুধুই নার্গিস। ১৯২১ সালের ১৮ জুন (বাংলা ১৩২৮ সালের ৩ আষাঢ়) নজরুল-নার্গিসের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বাসর রাতে কবি নার্গিসকে একটি কবিতা উপহার দেন। কিন্তু বিয়ের রাতেই অজ্ঞাত কোন কারণে অভিমান করে বাসর ঘর থেকে নজরুল বের হয়ে যান। নার্গিসকে একা ফেলে ওই রাতেই নজরুল অঝোর বৃষ্টি উপেক্ষা করে ১১ মাইল পথ পায়ে হেঁটে মুরাদনগরের দৌলতপুর ত্যাগ করে কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড়ে আসেন। এরপর তিনি কখনও দৌলতপুরে ফিরে যাননি। দৌলতপুরে কবির চারটি স্মৃতিফলক রয়েছে।
কুমিল্লায় নজরুলের লেখার মধ্যে রয়েছে- পরণ-পূজা, মনের মানুষ, প্রিয়ার রূপ, শায়ক বেধা পাখী, প্রলয়োল্লাস, মরণ বরণ, বন্দীর বন্দনা, পাগলা পথিক, বিজয়গান, পূজারিণী, বিজয়িনী, নিশীথ প্রতিম, চিরচেনা, মনের মানুষ, স্তব্ধ বাদল, কবিতা- গোমতী, জাগরণী, খুকী ও কাঠবিড়ালী ইত্যাদি।
১৯২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর চতুর্থবার নজরুল কুমিল্লায় এসেছিলেন আত্মগোপনের জন্য। ধূমকেতু পত্রিকায় ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ শীর্ষক একটি কবিতা প্রকাশের পর তিনি নিরুদ্দেশ হন। এ জন্য কবির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। ১৯২২ সালের ২০ নভেম্বর কুমিল্লার শহরের ঝাউতলা রাস্তা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেদিন রাতেই নজরুলকে কলকাতা স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ এক বছর কারাভোগের পর মুক্ত হয়ে নজরুল সোজা কুমিল্লায় এসে প্রমীলাকে বিয়ে করেন। ১৯২৪ সালের ২৫ এপ্রিল কলকাতার ৬ নং হাজী লেনে নজরুলের সঙ্গে কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকার মেয়ে আশালতা সেনগুপ্তা প্রমীলার বিয়ে হয়। প্রমীলাকে নিয়েই কেটেছিল নজরুলের দাম্পত্য জীবন।
দ্বিতীয় বিয়ের পর নজরুল কুমিল্লায় এসে প্রতিবারই উঠতেন কান্দিরপাড়ে ইন্দ্র কুমার সেন গুপ্ত অর্থাৎ প্রমীলাদের বাড়িতে। কুমিল্লা শহরের প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় থেকে ধর্মপুর অ্যাপ্রোচ রেলস্টেশন সড়কটি নজরুলের নামে নামকরণ করে রাখা হয় নজরুল অ্যাভিনিউ। ১৯৬২ সালে মরহুম আব্দুল কুদ্দুস সড়কটিকে নজরুল অ্যাভিনিউ করার প্রস্তাব দিলে তৎকালীন জেলা প্রশাসক কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ তাতে সম্মতি দেন এবং সড়কটির নামকরণ করা হয়। প্রমীলাদের বাড়ির পাশেই ছিলো বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা বসন্ত কুমার মজুমদারের বাড়ি। কবির সঙ্গে পরিচয় হয় বাগিচাগাঁওয়ের বিপ্লবী অতীন রায়ের। এ সড়ক সংলগ্ন বসন্ত স্মৃতি পাঠাগারে কবি আড্ডা দিতেন, কবিতা লিখতেন, এখানেও রয়েছে নজরুল ফলক ।
১৯২১ সালের ২১ নভেম্বর রাজগঞ্জ বাজারে নজরুল ব্রিটিশবিরোধী মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন, সেখানকার স্মৃতিবিজড়িত ফলকটি এখন আর নেই। কবি নজরুল কুমিল্লায় অবস্থান কালে বেশ কয়েকবার দারোগা বাড়ির মাজারের পার্শ্ববর্তী এই বাড়ির সঙ্গীত জলসায় অংশ নিয়েছিলেন। টাউন হল ময়দানে অনেক সমাবেশ, অনেক জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম কুমিল্লা শহরের ঝাউতলা, ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক শাখার পূর্ব-দক্ষিণ কোণে, নজরুল অ্যাভিনিউ, ফরিদা বিদ্যায়তন, দারোগাবাড়ি, ঝানু মিয়ার বাড়ি, শচীন দেব বর্মণের বাড়ি, বসন্ত স্মৃতি পাঠাগার, প্রমীলার বাড়ি ও কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দৌলতপুরে বসে সংগীত চর্চা করেছেন। কাব্য রচনা করেছেন। তিনি বিয়েও করেন কুমিল্লায়। কবির স্মৃতি রক্ষার জন্য ১৯৮৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর নজরুল স্মৃতিরক্ষা পরিষদের উদ্যোগে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত কুমিল্লার এসব স্থানে স্মৃতিফলক বসানো হয়। এরপর আর সেগুলো সংস্কার করা হয়নি।
কুমিল্লা নজরুল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্রের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শাহিদা আক্তার পপি বলেন, বাঙ্গালী মানে নজরুল, বাঙ্গালী মানে বিদ্রোহী কবি। জাতীয় কবির সৃষ্টি ছাড়া আমাদের সংস্কৃতি অসম্পন্ন। কবির অসংখ গান কবিতা আমাদের জীবনকে উজ্জবিত করে। আমরা চাই আমাদের সন্তানরাও নজরুলের সৃষ্টিকুল সম্পর্কে জানুক শিখুক।
কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি রেজবাউল হক রানা বলেন, কুমিল্লার মাটি ও মানুষের সাথে কবি নজরুল ওতপেতভাবে জড়িত। তাই কুমিল্লার সাংস্কৃতিক কর্মীরা নজরুল চর্চায় সবসময় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন।
লেখক ও নজরুল গবেষক পীযূষ কুমার ভট্রাচায্য বলেন, জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম প্রায় ৪ হাজার গান রচনা করেছেন এর মধ্যে নজরুল ইনষ্টিটিউট ৩১৭৪ টি গান উদ্ধার করেছেন। এ গানগুলোর মধ্যে অনেক গান কবি কুমিল্লার মুরাদনগর ও শহরে বসে রচনা করেছেন।
কুমিল্লার নজরুল গবেষক ড. আলী হোসেন চৌধুরী বলেন, জাতীয় কবি নজরুল কুমিল্লার অবিচ্ছেদ একটি অংশ, কুমিল্লাকে বাদ দিয়ে নজরুল জীবন পূর্ণ হবেনা। কাজী নজরুল ইসলামের তারুন্যের দুরন্ত সময়গুলোর সাক্ষী হয়ে আছে কুমিল্লা। নার্গিস ও প্রমীলার সাথে কবির প্রেম, বিরহ, বিয়ে, সংগীত শিল্পী হিসেবে আর্বিভাব হওয়া এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন-কারাবরনের ইতিহাস রচিত হয়েছে এই কুমিল্লায়।
নজরুল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্র কুমিল্লার সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত), মোঃ আল-আমিন জানান, জাতীয় কবিকে নিয়ে আরো বেশি চর্চা ও গবেষনার জন্য কবির স্মৃতি বিজরিত কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠা করা হয় নজরুল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্র । এ কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি জাতীয় কবির সৃষ্টি কর্মকে কুমিল্লার নজরুল প্রেমীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। ব্যপক প্রচার প্রচারনার মাধ্যমে এ কেন্দ্রটিতে নজরুল প্রেমী সাংস্কৃতিক কর্মী যারা আছেন তাদের সম্পৃক্ততা কিভাবে বাড়ানো যায় এ নিয়ে কাজ করছি। এ কেন্দ্রে নজরুল জাদুঘর, লাইব্রেরী, নজরুল সংগীতের বিভিন্ন কোর্স চালু রয়েছে যাতে নতুন প্রজন্ম সঠিকভাবে সুন্দরভাবে নজরুল চর্চা করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com