মোঃ হাবিবুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টারঃ
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনায় ২৩মে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।রবিবার ইতনায় মহান স্বাধিনতা যুদ্ধে এই দিনে ২৩মে ১৯৭১ সালে একদিনে গণহত্যায় ৩৯ জন গ্রাসবাসি বিভিন্ন এলাকায় ইতনার ৫০জনকে গুলি করে হত্যা করে পাকবাহিনি।
দিবসটি পালন উপলক্ষে ইতনা মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ এর আয়োজনে ২৩মে গণহত্যা দিবসে স্মৃতিস্তম্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধানিবেদন করে একমিনিট নিরবতা পালন করে দোয়া করা হয়। পরে কলেজের হল রুমে আলোচনা সভায় ইতনা মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ এ অধ্যাক্ষ বাবু অনিন্দ্য কুমার সরকার এর সভাপত্বিতে বক্তব্য রাখেন নড়াইলের কলেজ শিক্ষক ও সিনিয়র সাংবাদিক মলয় নন্দী,বীর মুক্তিযোদাধা মিনা রাজিব হোসেন,বীর মুক্তিযোদাধা ও প্রাক্তন শিক্ষক কাজি আকবর হোসেন, বিশিষ্ট সংগঠক, সাংবাদিক, নিসরাপ চেয়ারম্যান সৈয়দ খা্য়রুল আলম,সহিদ পরিবারের সদস্য সমসেরুল ইসলাম সামু, স্মুতিচারণ বক্তব্য রাখেন শিক্ষক আতাইর রহমান ফিরোজ,সাংবাদিক কাজি হাফিজুর রহমান, ইতনা মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ সহকারী অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, ইতনা বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস, প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, কলেজ শিক্ষক বিএম রইচ উদ্দিন, কলেজ শিক্ষক মোহন ভদ্র প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইতনা মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক পিকুল সিকদার।অনুষ্ঠানে সাংবাদিক,মুক্তিযোদ্ধা,সুধি সমাজ এবং সহিদ পরিবারের অনেক সদস্যরা উপস্হিত ছিলেন এবং বক্তব্য শুনে আবেগে কেদে ফেলেন। এই প্রথম কলেজের পক্ষথেকে করোনার সময়ে দুরত্ব বজায় রেখে সিমিত আকোরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়,যদিও উনিয়নের চেয়ারম্যান ও কোন সরকারি কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কেউ উপস্হি ছিলেন না বলে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেক পরিবার এখনও অসহায় এবং মানবিক জীবনযাপন করছেন।
এখানে স্হায়ী স্মৃতিস্তম্ভ ও গণকবরের স্হানে বধ্যভুমি চিন্হিত করার দাবি করেন।আমি গণমাধ্যম কর্মী হিসাবে দাবী করছি ২৩মে ইতনার গণহত্যা দিবস সরকারি ভাবে পালন করে সহিদ পরিবারকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করছি।
Leave a Reply