বিল্লাল হোসেন,যশোর প্রতিনিধি:
পালসার ব্যান্ডের মোটরসাইকেলের জন্য সংসার ভাঙতে বসেছে শান্তা খাতুনের। ১ মাস আগে আগুনে শরীর ঝলসে দেয়ার পর থেকে দরিদ্র বাবার বাড়িতে শিশু সন্তান নিয়ে বসবাস তার। কোন খোঁজ খবরও নেয় না স্বামী খাইরুল ইসলাম। এই ঘটনায় শান্তা কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ভাগলপুর গ্রামের পঙ্গু আব্দুর রহমানের মেয়ে শান্তার ৩ বছর আগে বিয়ে হয় ঝিনেইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের জগনাথপুর গ্রামের মৃত বোরাক মন্ডলের ছেলে খায়রুল ইসলামের। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য প্রায় খায়রুল ইসলাম, তার মা জাহারা বেগম ও ভাই ইয়াসিন শান্তাকে নির্যাতন শুরু করে। বিয়ের পর থেকেই খায়রুল ইসলাম পঙ্গু শশুরের নিকট একটি পালসার মটরসাইকেল দাবি করে আসছে। মেয়ের সুখের কথা বিবেচনা করে শান্তার পিতা মাতা কয়েক দফা জামাইকে নগদ টাকা ও সংসারের মালামাল দেয়। এতেও শান্তার উপর শশুর বাড়ির লোকেদের অত্যাচার থামেনি। গত বছরের ১৮ এপ্রিল শান্তার ডান হাত আগুনে পোড়ানোর পর তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। পিতা আব্দুর রহমান জানান, পালসার মোটর সাইকেল দিতে না পারার কারণে আমার মেয়ের সংসার ভাঙতে বসেছে। সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনর্চাজ এস আই সুকুমার কুন্ডু জানান, রোববার অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply