শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঠাকুরগাঁও জামালপুর জমিদার বাড়ি ও মসজিদ

কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঠাকুরগাঁও জামালপুর জমিদার বাড়ি ও মসজিদ

জাকির হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ের ৫টি উপজেলায় ছড়িয়ে থাকা অনেক পুরাকীর্তির মধ্যে জামালপুর জমিদার বাড়ি ও জামে মসজিদ অন্যতম। এর নির্মাণশৈলী ও অপূর্ব কারুকাজ মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের। ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি ও মসজিদটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। দেশের উত্তরাঞ্চল বলতে এক সময় ছিল রাজশাহী বিভাগ। রাজশাহী ভেঙে রংপুর বিভাগ হয়েছে। এই বিভাগে প্রাচীনকালে যে সমস্ত মসজিদ গড়ে উঠেছে তার মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের জামালপুর ইউনিয়নের জমিদারবাড়ি জামে মসজিদটি উল্লেখযোগ্য। 
ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে জামালপুর জমিদার বাড়ি জামে মসজিদ। এর প্রবেশমুখে রয়েছে একটি বড় তোরণ। ১৮৬৭ সালে নির্মিত এই মসজিদের দৃষ্টিনন্দন শিল্পকলা নজর কাড়ে দর্শনার্থীদের। তিনটি বড় আকৃতির গম্বুজ ও ৮০টি মিনার রয়েছে মসজিদে। সুন্দর কারুকাজ আর নকশা খচিত প্রতিটি মিনারের উচ্চতা ৩৫ ফুট।
নান্দনিক কারুকাজ মসজিদের দেয়ালে। ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। ঠাকুরগাঁওয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলো সংস্কার ও সংরক্ষণে উদ্যোগ নিলে প্রাচীন ঐতিহ্য ধরে রাখা যাবে বলে জানান দর্শনাথীরা । শুধু নান্দনিকতাই নয়, এসব স্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস- ঐতিহ্য।
প্রায় আড়াই শত বছরের পুরনো এই মসজিদ বর্তমানে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ব্রিটিশ শাসনামলে তাজপুর পরগনার জমিদারবাড়ি থেকে রওশন আলী নামে এক ব্যক্তি এ অঞ্চলে আসেন। তারই বংশধররা পরবর্তীতে ব্রিটিশের কাছ থেকে জমিদারী পান। ১৮৬২ সালে জমিদারবাড়ির ভিত্তি স্থাপন করা হয়। বাড়িটির নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই ১৮৬৭ সালে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তি হলেও বর্তমানে জমিদারের ৯ম তম বংশধররা জমিদার বাড়িতে থাকছেন।
সেই সাথে সেই প্রাচীন ঐতিহ্য জমিদারদের বিভিন্ন ব্যবহৃত জিনিস পত্র দিয়ে প্রায় আড়াইশ হতে তিনশো বছর পুরোনো জিনিস পত্র যেমন ঢাল তলোয়ার,সিংহাসন,তীর ধনুক,তখনকার মুদ্রা,খঞ্জর, মোটরসাইকেল, পোশাক ইত্যাদি সাজিয়ে  জাদুঘর রয়েছে সেখান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com