সরোয়ার জাহান সোহাগ,ডিমলা প্রতিনিধি।
নীলফামারী ডিমলায়, রবিবার (৯ মে) সকাল ১১টায় ডিমলা উপজেলা পরিষদের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ও ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে “স্মারকলিপি” প্রদান করেন ডিমলার পরিবহন শ্রমিকেরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই লকডাউনের মধ্যেও সিংহভাগ পরিবহন শ্রমিকেরা কোনো ধরনের সহায়তা পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের পরিবারের কথা বিবেচনায় নিয়ে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চালু করা প্রয়োজন।
আরও বলা হয়, লক ডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ সকল শ্রমিকের মাঝে আর্থিক ও খাদ্য সরবরাহ প্রদান, বাসটার্মিনালে ওএমএস এর মাধ্যমে শ্রমিকদের ১০ টাকা দরে চাল বিক্রি এবং ডিমলা কোচ টার্মিনালের জলাবদ্ধতা নিরসন।
নীলফামারী জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন, ডিমলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, জাহাঙ্গীর আলম বলেন, লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা আর্থিক কষ্টে দিন পার করছে। আমাদের দাবি গণপরিবহন চালু করা হোক। ধার দেনা করে কোনোমতে গতবার যন্ত্রণায় বেঁচে গেলেও এবারের সমস্যা আরও তীব্র। গতবারের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও এই সংকটে পরিবহন শ্রমিকেরা দিশেহারা।
একই সংগঠনের সভাপতি হাবিবুর রহমান লোহানী হাবলু বলেন, গাড়ির চাকা ঘুরলেই ঘুরে আমাদের জীবনের চাকা। প্রতিদিনের উপার্জনের টাকা দিয়েই চলত পুরো সংসার। সরকার ঘোষিত লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় চরম বিপর্যয়ে পড়েছেন পরিবহন শ্রমিকেরা। একদিকে তাদের কোন আয় নেই অন্যদিকে গাড়ীর মালিক ও স্থানীয় প্রশাসনও পুরোপুরি তাদের পাশে দাঁড়ায়নি।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জয়শ্রী রানী রায় পরিবহন শ্রমিকদের সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, ইতোমধ্যে কিছু পরিবহন শ্রমিককে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার প্রদান করা হয়েছে। উর্ধোতন কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি অবহিত করছি, আশা করছি খুব দ্রুত আমরা সহযোগীতা করতে পারবো।
বিক্ষোভে উপজেলার সকল পরিবহন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।
Leave a Reply