শিশির খাঁ,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি:
মাস্ক না পরার অপরাধে ফরিদপুরে সদরপুর উপজেলার সদরপুর বাজার এলাকায় ১৮ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনেকে আবার আদালত চলে যাওয়ার পর মাস্ক খুলে ফেলেন। আজ বুধবার দুপুরে সদরপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল এই অর্থদণ্ড আদায় করেন।
অভিযানের সময় ১৮টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মাস্ক না পরার অপরাধে রাজধানীর লালবাগের নবাবগঞ্জ রোড এলাকায় ১৭ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনেকে আবার আদালত চলে যাওয়ার পর মাস্ক খুলে ফেলেন। আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল এই অর্থদণ্ড আদায় করেন।
অভিযানের সময় ১৭টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় ৩ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানের পাশাপাশি অসচ্ছল ব্যক্তিদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের মধ্যে মাস্ক পরাবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানো।
মানুষের মধ্যে মাস্ক পরার প্রবণতা বেড়েছে উল্লেখ করে এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, অভিযানে এসে বেশির ভাগ সময় মানুষকে মাস্ক পরা অবস্থায় পেয়েছি। অভিযানের কারণে বা সচেতনতার কারণে মানুষ মাস্ক পরছে—এটা হতে পারে। জেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চলছে। মাস্ক পরার হার বেড়েছে।
লালবাগের নবাবগঞ্জ রোড এলাকার জে এন সাহা সড়ক, নবাবগঞ্জ পার্ক, নবাবগঞ্জ বাজার মসজিদ মার্কেট, নবাবগঞ্জ বাজার, তেলিপাড়া মসজিদ, হোসেনউদ্দিন খান লেন, নবাবগঞ্জ সাত শহীদ কমিউনিটি সেন্টার মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে। এ সময় সেখানে পথচারী, দোকানদার, ব্যবসায়ীদের মাস্ক না পরার অপরাধে অর্থদণ্ড দেওয়া হয় এবং অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় অসচ্ছলদের মধ্যে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয় ৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানের পাশাপাশি অসচ্ছল ব্যক্তিদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজল চন্দ্র শীল। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের মধ্যে মাস্ক পরাবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানো।
মানুষের মধ্যে মাস্ক পরার প্রবণতা বেড়েছে উল্লেখ করে এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, অভিযানে এসে বেশির ভাগ সময় মানুষকে মাস্ক পরা অবস্থায় পেয়েছি। অভিযানের কারণে বা সচেতনতার কারণে মানুষ মাস্ক পরছে—এটা হতে পারে। উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চলছে। মাস্ক পরার হার বেড়েছে।
সদরপুর বাজার এলাকার রুপসাগর টেক্সটাইল, বাধন ফ্যাশন,আনিস উদ্দিন সিটি সহ বাজারের বিভিন্ন দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে। এ সময় সেখানে পথচারী, দোকানদার, ব্যবসায়ীদের মাস্ক না পরার অপরাধে অর্থদণ্ড দেওয়া হয় এবং অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় অসচ্ছলদের মধ্যে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার(ভূমি)সজল চন্দ্র শীল বলেন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ খুব দ্রুত বাড়ছে। বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিধি নিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত আদালত পরিচালনা করা হবে।
Leave a Reply